• বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মুন্সীগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০ পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৯ হাজার শিক্ষার্থী জেনিথ ইসলামী লাইফের বীমায় অন্তর্ভুক্ত বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দুই বছরের মধ্যে গ্রাম ও শহরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবা-মায়ের কবরে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৪২ গ্রেপ্তার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ কানাডায় দুই নায়িকা নিয়ে ঝড় তুলছে জায়েদ খান আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি হাম উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

হৃদরোগ হাসপাতালের পরিচালকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

admin
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক রিপোর্টঃ চিকিৎসাধীন অবস্থায় জিন্নাত আলী নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরীসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইলের আদালতে নিহতের ছেলে আবু হুরায়রা বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোকছেদুল হাসান মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সূর্যের আলো’কে।

মামলার আবেদনে আসামি করা হয়েছে হৃদয় জেনারেল হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ডা. এসএমএফ নিরব হোসেন, ডা. সিরাজুল, ওয়ার্ডবয় শহিদ, আশিক, সামিউল, মশিউর রহমান লাভলুসহ হাসপাতালের ম্যানেজার, সহকারী ম্যানেজার ও রিসেপশন কর্মকর্তা জুনায়েদকে।

এজাহারে বলা হয়, অসুস্থ হয়ে পড়লে জিন্নাত আলীকে প্রথমে মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানকার চিকিৎসক তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে রেফার করেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ওয়ার্ডবয় শহিদ রোগীর হার্টে সমস্যা নেই উল্লেখ করে তাকে আইসিইউতে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি তিনি জানান, সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ খালি নেই। ওয়ার্ড বয় শহিদ বলেন, ‘‘প্রাইভেট হৃদয় জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ খালি আছে, সেখানে ভর্তি করান আমি বলে দিচ্ছি। সেখানে দুইদিন চিকিৎসা করে আবারও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়া আসা হবে।’’

পরে আসামিদের পরামর্শে রোগীকে সেখানে নেওয়া হয়।

বাদীর দাবি, হৃদয় হাসপাতালে চিকিৎসা ব্যয়ের অতিরিক্ত টাকা দাবি করা হলে তিনি বাবাকে অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত রোগীকে ছাড়তে অস্বীকৃতি জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ সময় তাকে মারধর এবং রোগীর চিকিৎসা বন্ধ রাখারও অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ধারদেনা করে টাকা পরিশোধ করে রোগীকে আবার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক এবং নার্সরা জানান রোগীর যথাযথ চিকিৎসা হয়নি। পরে বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে জিন্নাত আলী মারা যান।

এ ঘটনায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে অভিযোগ করতে গেলে বাদীকে মারধর করে বের করে দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ