• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ মারা গেছেন সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনে অগ্নিকাণ্ড প্রবাসীদের জন্য বিভাগীয় পর্যায়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের পরিকল্পনা : আইনমন্ত্রী সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতার সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা সচিবালয়ে কড়াকড়ি: এমপিদের গাড়িতেও অতিরিক্ত ব্যক্তি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনে কী বলা হয়েছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বাস ভবনে হামলায় প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নতুন মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ

রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার

admin
আপডেটঃ : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক রিপোর্টঃ করোনাকালে রোগীদের নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট প্রদান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির। তিনি জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ২০২০ সালে আলোচনায় আসে রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল। ওই বছরের ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রাজধানীর উত্তরা ও মিরপুরে রিজেন্ট হাসপাতালের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পরীক্ষা ছাড়াই করোনা সনদ প্রদান, প্রতারণা এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এরপর ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও এর মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। একই দিন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে ২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরা থেকে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন সাহেদ। এরপর বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন তিনি।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর তাকে কারামুক্ত করা হয়েছিল।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ