• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সীমান্তবর্তী শহর কুকুতায় সেনা মোতায়েনের নির্দেশ কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী দুর্ব্যবহার নয়, মানবিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও প্রকাশকারী তাহসিফের মৃত্যু রহস্য নিয়ে তদন্তের দাবি আশকোনা হজ ক্যাম্পে বিমানের টিকিট বিক্রয় কাউন্টার পুনরায় চালু শাহজালালে কাস্টমসের অভিযানে জব্দ ১২ কেজি স্বর্ণ নিকুঞ্জের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম উপনির্বাচন: বিনা লড়াইয়ে জয় পাচ্ছেন এলিজা জামান

মধ্যরাতে ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রী, যাচাই করলেন বইয়ের মান

admin
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্কঃ ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের বিনামূল্যে বিতরণযোগ্য পাঠ্যবইয়ের মুদ্রণ ও গুণগত মান সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১২টার পর রাজধানীর ছয়টি ছাপাখানায় (প্রেস) গিয়ে তিনি এই পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করেন। রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী ছাপাখানাগুলোতে প্রস্তুত করা পাঠ্যবইয়ের কাগজ, বাঁধাই ও ছাপার মান সরাসরি পরীক্ষা করেন। এ সময় তিনি বইয়ের বান্ডিল থেকে নমুনা কপি সংগ্রহ করে সার্বিক গুণমান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের মানসম্মত বই মুদ্রণের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সদস্য (টেক্সট) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু জানান, নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই মুদ্রণের কাজ পুরোদমে চলছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বই পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে আগামী ১ জানুয়ারি ‘বই উৎসব’-এ শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া নিশ্চিত করা যায়।

এনসিটিবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি পাঠ্যবই ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিশাল প্রকাশনা কার্যক্রমে সরকারের মোট ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা।

মুদ্রণ পরিকল্পনার আওতায় প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি এবং ইবতেদায়ি স্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি বই তৈরি হচ্ছে।
আর মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য প্রায় ১৮ কোটি বই ছাপানো হবে। এর মধ্যে কেবল নবম শ্রেণির জন্যই নির্ধারিত রয়েছে সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই। এ ছাড়া দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ৯ হাজার ৪ কপি ব্রেইল পদ্ধতির বই প্রস্তুত করা হচ্ছে।

আসন্ন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যসূচিতে কিছু নতুন বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণির জন্য ‘খেলাধুলা’ ও ‘আমাদের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য ‘আনন্দময় শিক্ষা’ ও ‘কারিগরি শিক্ষা’ বিষয়ের নতুন বই ছাপানো হচ্ছে। এসব নতুন এবং পরিমার্জিত ও সংশোধিত বই নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে এনসিটিবি।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ