নিউজ ডেস্কঃ মিরপুরের স্পিনবান্ধব পিচে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সমানে সমান লড়াই দেখিয়েছে। নির্ধারিত ওভারের খেলা শেষে জয় পাননি কোনো দল। ফলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে, যেখানে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফিরল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সুপার ওভারে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০ রান করে। জবাবে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ৯ রান করেছিল।
স্পিনবান্ধব মিরপুরের পিচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এক ওভারে টানা ৫০ ওভার স্পিনারদের দিয়ে বল করিয়ে ম্যাচের অর্ধেক কাজ ভালোভাবেই শেষ করে। ব্যাটিংয়ে নেমে রিশাদ হোসেন ও নাসুম আহমেদের সামনে কিছুটা সমস্যায় পড়লেও জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে তারা। তবে শেষ পর্যন্ত জয়লাভ করতে পারেনি কোনো দল।
এর মাধ্যমে ক্রিকেটের যেকোনো ফরম্যাটে প্রথমবার সুপার ওভারে যায় বাংলাদেশের ম্যাচ। এর আগে কখনো বাংলাদেশের কোনো ম্যাচ সুপার ওভারে পৌঁছায়নি।
রান তাড়া করতে নেমে নাসুম আহমেদের করা প্রথম ওভারে উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অ্যালিক অ্যাথানেজ ও কেসি কার্টি ৫১ রান যোগ করেন। এই জুটি ভাঙেন রিশাদ হোসেন। অ্যাথানেজকে ২৮ রানে আউট করেন তিনি।
রিশাদের দ্বিতীয় শিকার কেসি কার্টি। ৫৯ বলে ৩৫ রানে আউট হন তিনি। এরপরের ওভারে তানভীর ইসলাম আকেম অগাস্টেকে আউট করেন। ১৭ রানে আউট হন তিনি।
ক্রিজে স্থায়ী হতে পারেননি শেরফাইন রাদারফোর্ড, গুদাকেশ মোতি ও রোস্টন চেজ। আউট হওয়ার আগে রাদারফোর্ড ৭, মোতি ১৫ ও চেজ ৫ রান করেন।
এর আগে মিরপুরে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের পঞ্চম ওভারে ওপেনার সাইফ হাসান ৬ রান করে আউট হন। পরের উইকেটে তাওহীদ হৃদয় ১২ ও নাজমুল হাসান শান্ত ১৫ রান যোগ করেন।
ওয়ানডে অভিষেকে ৪৬ রানের ইনিংস খেলা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও ব্যাট হাতে বেশি সুবিধা করতে পারেননি। পার্টটাইমার বোলার অ্যালিক অ্যাথানেজের কলে আউট হওয়ার আগে তিনি ১৭ রান করেন। ওপেনার সৌম্য সরকার ৪৪ রানে আউট হন, যা বাংলাদেশের ব্যাটারদের সর্বোচ্চ রান।
এরপর দলনেতা মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ছোট দুটি জুটি গড়েন নাসুম আহমেদ ও নুরুল হাসান সোহান। ১৪ রানে নাসুম ও ২৩ রানে সোহান আউট হন।
শেষদিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন রিশাদ হোসেন। মাত্র ১৪ বলে তিনটি চার ও ছয়ের সাহায্যে ৩৯ রান করেন। মিরাজের ব্যাট থেকে আসে ৫৮ বলে ৩২ রান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন গুদাকেশ মোতি। ১০ ওভারে মাত্র ১৪ রানের খরচায় তিন মেডেনসহ দুটি উইকেট নেন অ্যালিক অ্যাথানেজ। দুটি উইকেট নিয়েছেন আকিল হোসেনও।
![]()