নিউজ ডেস্কঃ সিনেমার গল্পের অন্তরালে যেনো কোনো দৃশ্যের ভিলেনকে হার-মানাচ্ছে চাঁদপুরের হাবিবুর রহমান পুতুল! কে এই ভিলেন, কে আছে তার পিছনে? সম্পর্ক নয় সম্পত্তি যার কাছে সব।
সম্পত্তি ও টাকার জন্য আপন বড় ভাইয়ের স্ত্রী ও ছেলেকে মামলার বৃত্তে ফেলে হয়রানি ও মানহানীর পর এখন টার্গেট বোনের ছেলে শাহীন মিয়া! চাঁদপুরের হাবিবুর রহমান পুতুল মুর্তিমান এক আতংকের নাম, যাকে মামলাবাজ হাবিবুর হিসেবে সবাই চিনে। বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের সময় তাদের দৌসর হিসেবে যেমন মানুষকে অত্যাচার করে বুক ফুলিয়ে ঘুরেছেন এখন তেমনি অত্যাচার-নির্যাতন করেও ঘুরছেন।
বড় বোনের পেনশনের টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে তার মুত্যুর খবর ভাগ্নে-ভাগিনাদের না জানিয়ে তার লাশ কৌশলে দ্রুত দাফন দিয়ে ফেলেন। এর ফলে ভাগিনা শাহিন মিয়া প্রতিবাদ জানালে হাবিবুর রহমান পুতুল তাকে শারীরিক নির্যাতন করেন এবং হুমকি দিয়ে বলেন বেশি বাড়াবাড়ি করলে মামলা দিয়ে ভেতরে ফেলে রাখবেন অভিযোগ পাওয়া যায়।
জানা যায়, তিলকে তাল বানিয়ে সামান্য একটা সাধারণ ঘটনাকে বড় আকারের সাজিয়ে যখন-তখন মামলা ঠুকে দেয়াই হাবিবুরের অন্যতম কাজ। অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ স্বার্থে যার তার নামে মামলা করেই সে ক্ষান্ত হয়নি। বরং সে তার আপন বড় ভাবি এবং ভাতিজাদের নামেও মামলা দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এবার তার মৃত বোনের সন্তান ভাগ্নেদের নামে মামলা দেয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তার ভাগ্নে শাহিন মিয়া। যেনতেন বিষয়ে মামলা দেয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে আপোষমীমাংসা বা মামলা উঠিয়ে নেয়ার নামে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেয়ার ধান্ধা। এ কারণে চাদপুর সদরের লালদিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন প্রধানিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান পুতুল এলাকায় মামলাবাজ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
গত ১৭মে তার বড় বোন হোসনে আরা মৃত্যুবরণ করলে তার সন্তানদের বিনা অনুমতিতে নিজ এলাকায় নিয়ে তার লাশ দাফন করে দেয়ার গুরুত্বর অভিযোগ করেন শাহীন মিয়া। এ বিষয়ে ভাগ্নেরা নাখোশ হলে হাবিবুর তাদের নামেও মামলা করার হুমকি দেন। মৃত বোনের পেনশনের টাকা আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যেই বোনের লাশ গোপনে দাফন করেছেন বলে ভাগ্নেদের অভিযোগ। ভুক্তভোগিদের অভিযোগ তারা প্রশাসনের সহযোগিতা পাচ্ছেন না।
এদিকে শাহিন মিয়া বলেন, আমাকে আমার কাজের স্থান থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে হুমকি দেন শেষ করে দেয়ার। শার্টের কলার ধরে চেপে ধরেন, আমার ছেলেকে ভীষণ মারেন, অত্যাচার করেন। আমি এ বিয়ষে সকলের সহযোগিতা চাই। অপরাধিদের বিচার চাই।
অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান বলেন, আপনি সাংবাদিক হন বা প্রেসিডেন্ট হন আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলবো না। যে সন্তান মায়ের জানাযায় আসে না, তার বিষয়ে কোনো কথা নেই।
![]()