রাজনৈতিক ডেস্ক রিপোর্টঃ রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকায় নিষিদ্ধ সংগঠন এর অঙ্গ সংগঠন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপনকে আটকে রেখে মারধর করার পর পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। একদল তৌহিদি জনতা তাকে আটক করে এ ঘটনা ঘটায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রিপনকে আটকের পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় উত্তেজিত জনতা তার পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতেই তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত অবস্থায় তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
পরে গুরুতর আহত কামরুল হাসান রিপনকে চিকিৎসার জন্য রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি পুলিশি পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে বসুন্ধরা এলাকায় কিছু সময়ের জন্য থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
এ ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে পক্ষে ও বিপক্ষে মতামত উঠে আসছে।
উল্লেখ্য, কামরুল হাসান রিপন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
![]()