অনলাইন ডেস্কঃ দুর্নীতি ও অর্থপাচারে বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে অপরাধী যেই হোক না কেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের। তবে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর একাধিক উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে দৃশ্যমান ধীরগতি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া: গত ১৩ সেপ্টেম্বর ড. ইউনূসের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার এবং বিভিন্ন নিয়োগ, পদায়ন ও উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে তদন্তের ঘোষণা দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ বা দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।
সাত উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ: আসিফ মাহমুদ ছাড়াও সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী, আদিলুর রহমান খান, নুরজাহান বেগম, মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং আলী রীয়াজের বিরুদ্ধে বিদেশে ফ্ল্যাট ও বাড়ি ক্রয়ের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছে।
বিটিসিএলের ফাইভ-জি উপযোগীকরণ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে সাবেক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়বের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করা হলেও সাত মাসেও তা কার্যকর হয়নি। এছাড়া সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ জমা পড়ার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ার তথ্যও সামনে এসেছে।
সরকার যখন দুর্নীতি দমনে কঠোর ও আপসহীন অবস্থান নিয়েছে, তখন ইউনূস আমলের দুর্নীতির অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ ও দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে।
![]()