গ্রামের সহজ-সরল মানুষকে টার্গেট করে নানা প্রলোভনে সদস্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট পলিসি শেষেও তাদের টাকা বুঝিয়ে না দিয়ে একের পর এক ডেট দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এর বিরুদ্ধে।
যশোর থেকে পলিসি শেষ করে সমাধান না পেয়ে ঢাকা হেড অফিসে আসেন আনোয়ারা (ছদ্মনাম) ঢাকাতে এসেও প্রায় দুই হলেও এখনো নিজের টাকা নিতে পারছে না তিনি। তাকেও ডেটের পর ডেট দেয়া হচ্ছে। এদিকে আরেক গ্রাহক ২০২৩ সালে পলিসির মেয়াদ শেষ করে স্থানীয় বরিশাল অফিসে ঘুরে ঘুরে কোনোভাবেই সমাধান না পেয়ে বাধ্য হয় ঢাকা অফিসে আসতে। ২০২৪ এর নভেম্বরে রাজিয়া বেগম (ছদ্ম নাম) তার পলিসির টাকার জন্য আসলে সিইও’র পিএস তাদের ২০২৫ এর এপ্রিলে আসতে বলেন, এপ্রিলে তার সাথে যোগাযোগ করলে, কষ্ট করে অক্টোবরে যেতে বলেন, তিনি গ্রাহকদের বলেন অবশ্যই অক্টোবরে চেক পেয়ে যাবেন। গ্রাহক অক্টোবরে চেক নিতে আসলে তিনি চেক হতে আরো সময় লাগবে জানালে গ্রাহক বিষয়টি প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্সুইরেন্সের সিইও সাথে যোগাযোগ করলে তিনি পিএসের সাথে আলাপ আলোচনা করে জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে চেক দেয়ার চূড়ান্ত প্রতিশ্রুতি দেন। আপনাকে আর কষ্ট করতে হবে না। জানুয়ারিতে পেয়ে যাবেন। গ্রাহক জানুয়ারিতে পিএসকে কল দিলে জানতে পারেন চেক পেতে আরো দুই/তিন মাস সময় লাগবে। বিষয়টি সিইও’কে ম্যাসেজের মাধ্যমে জানালেও তিনি আর কোনো উত্তর দেননি এবং কলও রিসিভ করে না।
গ্রাহকের টাকা গ্রাহককে নির্দিষ্ট সময় মতো বুঝিয়ে দিতে না পারলে বীমা নিয়ন্ত্রণ সংস্থা কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে। পরবর্তী অংশে নিয়ন্ত্রণ সংস্থার মন্তব্য আসছে…
![]()