• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মনিরা শারমিনের বিস্ফোরক স্ট্যাটাস মাঝ রাতে! বাধ্যতামূলক অবসরে ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শক আফতাবনগরে ডিবির সঙ্গে গোলাগুলিতে পাভেল ডাকাত গুলিবিদ্ধ নরসিংদীতে হানি ট্র্যাপ চক্রের ৪ সদস্য ও কথিত কোর্ট কমিশনার সহ গ্রেফতার ৩৮ তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘে বাংলাদেশের মনোনীত স্থায়ী প্রতিনিধির সাক্ষাৎ তৃণমূলের রাজনীতি থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হতেন: হামিদুর রহমান আযাদ রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল

আজ ১৫ আগস্ট

সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

admin
আপডেটঃ : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক রিপোর্টঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃতু্যবার্ষিকী ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জননিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয় সে লক্ষ্যে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ১৫ আগস্ট ঘিরে বড় ধরনের কোনো নাশকতার তথ্য নেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে।

যে কোনো ধরনের নাশকতা ও অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, এটা (১৫ আগস্ট) একটা সেনসেটিভ ডে। আমাদের সব ইউনিটেরই আলাদা প্রস্তুতি আছে। আমরা এলার্ট থাকব। বড় ধরনের কোনো আতঙ্কের বিষয় নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এরকম একটার পর একটা ইভেন্ট আসতেই থাকে, আমরা ফেস করছি।

রাজধানীতে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, মাঠে থাকছে সোয়াত-বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট

কোনো ধরনের নাশকতা যেন কেউ করতে না পারে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে—অতিরিক্ত আইজি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম

রাজধানীতে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: এরই মধ্যে নিষদ্ধি সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার অভিযান শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৫৩ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

১৫ আগস্ট শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা ও ঝটিকা মিছিল সফল করার উদ্দেশে এই নেতাকর্মীরা সমবেত হয়েছিলেন। তারা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন।

এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ও কে-নাইন ইউনিটসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মোতায়েন থাকবে।

শুক্রবার ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় পুরো রাজধানীকে কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আনা হয়েছে। মহানগরের সব প্রবেশপথে চেকপোস্ট ও তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার থাকবে।

ডিবি ও সিটিটিসির সদস্যরা অপারেশনাল কার্যক্রমে মোতায়েন থাকবেন। সোয়াত, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও কে-নাইন ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জনসমাগমস্থলে সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, কোনো ধরনের ঝুঁকি নেই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন থাকবেন। নাশকতা করতে পারে এ ধরনের কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।

ডিএমপির ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ১৫ আগস্ট ঘিরে যে কোনো অপতৎপরতা ঠেকাতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আমরা মাঠে আছি।

তিনি বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কোনো অপতৎপরতা আমরা চালাতে দেব না। আমরা প্রায় ৩৪ জনকে ধরেছি। তার মধ্যে মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদকও আছে।

এছাড়া সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র‌্যাব। এর অংশ হিসাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মী, সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সদস্যদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানিয়েছে, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি ঘিরে কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠী, নিষদ্ধি সংগঠন বা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কুচক্রী মহল যেন নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য দেশব্যাপী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত ও কার্যক্রম নিষদ্ধি সংগঠনগুলোর অপতৎপরতা ও গতিবিধির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সন্দেহভাজন ও নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যক্তিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আগাম তথ্য সংগ্রহ ও গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করতে বিভিন্ন এলাকায় কন্টাক্ট বা ইনফরমার বা সোর্স নিয়োগ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলে যাতায়াতের রুটগুলোতেও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্যদের মোতায়েন করে নজরদারি করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার ঠেকাতেও সাইবার প্যাট্রোলিং জোরদার করেছে র‌্যাব। সূত্র, যুগান্তর

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ