• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় জেনিথ ইসলামী লাইফের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাইজভাণ্ডারী শাহ এমদাদীয়ার উদ্যোগে ত্রাণ ও ঘর নির্মাণসামগ্রী বিতরণ নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্ত্রীসহ বিদেশে পালানোর চেষ্টায় শেখ পরশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে শিক্ষার্থীরা নজরুলের গান গাইতে গাইতে রাস্তায় নেমেছিল: রিজভী গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট নেপালে বন্যা ও প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার আশ্বাস মাথার অসুস্থতা নিয়ে কেউ এভাবে জনসম্মুখে বক্তব্য দেয়: রাশেদ খাঁন

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিত, যেসব সমস্যায় পড়বেন বাংলাদেশিরা

admin
আপডেটঃ : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক রিপোর্টঃ দীর্ঘদিন ধরে যারা পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে তাদের সেই প্রতীক্ষা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। খবর বিবিসি বাংলার।

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের অনেক ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিকল্পনা বর্তমানে থমকে গেছে। কবে নাগাদ এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকায় প্রবাসীদের মধ্যে তীব্র উৎকণ্ঠা ও মানসিক চাপ তৈরি হয়েছে। এমনকি যারা বৈধভাবে গ্রিন কার্ড বা নাগরিকত্ব পেয়েছেন, তাদের মধ্যেও এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক আতঙ্ক বিরাজ করছে। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন পুরাতন গ্রিন কার্ড ও নাগরিকত্বগুলোও পুনর্মূল্যায়ন করার ঘোষণা দিয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের মূল কারণ হলো ‘পাবলিক চার্জ’ নীতি। তাদের মতে, অনেক অভিবাসী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর কাজ না করে সরকারি সাহায্য বা জনকল্যাণমূলক সুবিধার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, যা মার্কিন অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

তথ্যানুসারে, বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশ এই ধরনের সুবিধা গ্রহণ করে। এখন থেকে যারা নতুন করে আসতে চাইবেন, তাদের আর্থিক সামর্থ্যের বিষয়টি অত্যন্ত কড়াভাবে যাচাই করা হবে। যারা আগে স্পন্সর করে আত্মীয়-স্বজনদের এনেছেন এবং তারা যদি সরকারি সুবিধা ভোগ করে থাকেন, সেই দায়ভার এখন স্পন্সরের ওপর আসার সম্ভাবনা রয়েছে। পর্যাপ্ত আয় না থাকলে বা সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হওয়ার ঝুঁকি থাকলে এখন আর ভিসা পাওয়া সম্ভব হবে না।

যারা পড়াশোনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্যও পথটি কঠিন হয়ে পড়েছে। পড়াশোনা শেষে চাকরি খোঁজার জন্য যে নির্দিষ্ট সময় পাওয়া যেত, সেটি পাওয়ার প্রক্রিয়া এখন আরও জটিল হবে।

যারা স্ট্যাটাস পরিবর্তন করে গ্রিন কার্ডের আবেদন করেছেন, ভিসা স্থগিতের কারণে তাদের দীর্ঘ সময় অনিশ্চয়তায় কাটাতে হবে। এছাড়া, যারা বর্তমানে গ্রিন কার্ডধারী কিন্তু ছুটিতে বাংলাদেশে আসতে চান, তারাও এখন দেশে ফিরতে দ্বিধাবোধ করছেন। কারণ একবার দেশ ছাড়লে বর্তমান পরিস্থিতিতে পুনরায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে কোনো আইনি জটিলতায় পড়তে হয় কিনা, সেই ভয় তাদের তাড়া করে ফিরছে।

এই স্থগিতাদেশ মূলত অভিবাসন বা ইমিগ্রেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে পর্যটন, ব্যবসায়িক ভ্রমণ ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রযোজ্য নন-ইমিগ্রেন্ট ভিসাগুলো এই তালিকার বাইরে রাখা হয়েছে।

অর্থাৎ, সাধারণ দর্শনার্থী বা বর্তমান শিক্ষার্থীদের চলাচলে এখন পর্যন্ত কোনো সরাসরি নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকরা ভিসার জন্য আবেদন বা সাক্ষাৎকার দিতে পারলেও, স্থগিতাদেশ চলাকালীন তাদের অনুকূলে কোনো নতুন অভিবাসন ভিসা ইস্যু করা হবে না। এছাড়া দক্ষ কর্মীদের জন্য এইচ-ওয়ানবি ভিসার খরচও আগের চেয়ে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা বৈধ পথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগকে আরও সংকুচিত করেছে।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ