অপরাধ ডেস্কঃ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাড়ি ফেরার পথে জহির ফকির নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত জহির ফকির আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া এলাকার মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জহির প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে নিজের ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল তাঁর পথ আটকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে ফেলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাগিনা ইসমাইল হোসেনের অভিযোগ, কালাপাহাড়িয়া এলাকার মুবারক নামের এক রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তাঁর মামার বিরোধ ছিল। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আলোচনায় থাকায় মুবারক পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে মুবারকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব খোরশেদ আলম বলেন, জহির যুবদলের ত্যাগী নেতা ছিলেন। তাঁর বাড়ি কালাপাহাড়িয়ায় হলেও তিনি মুন্সিগঞ্জে থাকতেন। জহির প্রায়ই তাঁকে বলতেন, কেউ তাঁকে মেরে ফেলবে। তবে কার সঙ্গে তাঁর বিরোধ ছিল, তা নিশ্চিত হতে পারেননি বলে জানান তিনি।
সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় জহিরের একটি ফার্মেসি রয়েছে। দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
![]()