• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পর্শে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু দেশের বৈচিত্র্যময় প্রতিভা অন্বেষণে আসছে নতুন রিয়েলিটি শো ‘প্রতিভার সন্ধানে’ যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গাউছিয়া সার্ভিস সেলে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার

পতাকা উত্তোলন দিবস আজ

admin
আপডেটঃ : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক রিপোর্টঃ আজ ২ মার্চ, ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস। ১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চের দ্বিতীয় দিন। এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলাভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন-সূর্য উদিত হয়। একাত্তরের অগ্নিঝরা ২ মার্চ ঢাবির কলাভবনের সামনে বিক্ষোভরত ছাত্র-জনতার পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ঢাকসুর তৎকালীন ভিপি আ স ম আবদুর রব। সঙ্গে ছিলেন ডাকসুর তৎকালীন জিএস আবদুল কুদ্দুস মাখন, ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী ও সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ। সেদিনকার সেই পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই স্বাধীন বাংলাদেশের মুক্তির বীজ বপন হয়। সেদিন কলাভবনের বটতলায় ছিল পূর্বঘোষিত সমাবেশ। কিন্তু বটতলায় পতাকা ওড়ালে সবাই দেখবে না বলে তারা কলাভবনের দক্ষিণ-পশ্চিমের গাড়ি বারান্দার ছাদ থেকে সেটি উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৎকালীন ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের নেতারা। বেলা ১১টায় বক্তব্য দিচ্ছিলেন ডাকসুর ভিপি আবদুর রব। এমন সময় ছাত্রলীগের নেতা শেখ জাহিদ হোসেন একটি বাঁশের মাথায় পতাকা বেঁধে মঞ্চে এলেন। তার থেকে পতাকা নিয়ে ছাত্র-সংগ্রাম নেতাদের পক্ষ থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরেন আবদুর রব। পতাকাটি ছিল সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝখানে সোনালি মানচিত্র খচিত পতাকা।

সেদিন দুপুরে ও রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং সচিবালয়ে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো হয়েছিল। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ, অন্যায়, অত্যাচার, অবিচারের বিরুদ্ধে তৎকালীন ডাকসু নেতাদের উদ্যোগে সাড়া দিয়েছিলেন আমজনতা। প্রকৃতপক্ষে সেদিনের পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি ছাত্র-জনতা স্বাধীনতা সংগ্রামে উজ্জীবিত হয় এবং স্বাধীনতা অর্জনের পথে যাত্রা শুরু করে। সেখান থেকেই স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠের কথা উঠেছিল।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ