• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দুর্ব্যবহার নয়, মানবিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও প্রকাশকারী তাহসিফের মৃত্যু রহস্য নিয়ে তদন্তের দাবি আশকোনা হজ ক্যাম্পে বিমানের টিকিট বিক্রয় কাউন্টার পুনরায় চালু শাহজালালে কাস্টমসের অভিযানে জব্দ ১২ কেজি স্বর্ণ নিকুঞ্জের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম উপনির্বাচন: বিনা লড়াইয়ে জয় পাচ্ছেন এলিজা জামান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের গভর্নরের নেত্রকোণায় ৫ ভারতীয় গরু আটক বিজিবির, এসকাফসহ নারী গ্রেপ্তার

ছাত্রদলের নেতা কাফির বিরুদ্ধে দোকানির ওপর হামলার অভিযোগ

admin
আপডেটঃ : সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

অপরাধ ডেস্ক রিপোর্টঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ফটোকপির দাম নিয়ে দরকষাকষিকে কেন্দ্র করে দোকানি ও কর্মচারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে শাখা ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। রবিবার (৫ এপ্রিল) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে ‘হিমেল কম্পিউটার স্টেশনারি’ দোকানে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল কাফি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কাফি তার এক আত্মীয়ের সার্টিফিকেট উত্তোলনের জন্য কিছু কাগজ ফটোকপি করতে ওই দোকানে যান। ফটোকপি বাবদ দোকানি ২৮০ টাকা খরচ জানালে তিনি আপত্তি জানিয়ে ২০০ টাকা দিতে চান। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে দোকানি তার প্রিন্ট করা কাগজ ছুড়ে ফেলে দেন এবং কম্পিউটার স্ক্রিন বন্ধ করে দেন। একপর্যায়ে কাফি ও তার সাথীরা দোকানির ওপর হামলা চালায় ও দোকানের শাটার বন্ধ করে দেয়।

অভিযোগের বিষয়ে কাফি বলেন, ফটোকপির দাম নিয়ে দোকানি অন্যায্য দাবি করায় আমি সঠিক দামে তা করার জন্য দরকষাকষি করি। একপর্যায়ে দোকানি আমার কাগজ ছুড়ে ফেলে দেন এবং তার কর্মচারী আমাদের ওপর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এরপর তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়েও যদি বাইরের কেউ আমাদের সঙ্গে এমন আচরণ করে তবে তা খুবই দুঃখজনক।

তবে কাগজ ছুড়ে ফেলে দেওয়ার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন ভুক্তভোগী দোকানদার। তিনি বলেন, ফটোকপি বাবদ বিল হয়েছিল ২৮০ টাকা, কিন্তু তিনি ২০০ টাকা দিতে চেয়েছিলেন। আমি সবশেষ ২৫০ টাকা দিতে বললেও তিনি রাজি হননি। দোকান বন্ধ করার সময় হয়ে যাওয়ায় আমি তাকে জানাই যে আমি চলে যাবো, আপনি চাইলে এখানে আরও পাঁচটি দোকান আছে সেখানে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। এরপর আমি কম্পিউটার বন্ধ করায় কাফি উত্তেজিত হয়ে বলেন— কম্পিউটার বন্ধ কেন করলেন? আপনার দোকানই বন্ধ করে দেবো।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি জানার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। উভয় পক্ষই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছে। তবে এ ধরনের ঘটনা পরে ঘটলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ