• শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কক্সবাজারের পেকুয়ায় জেনিথ ইসলামী লাইফের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাইজভাণ্ডারী শাহ এমদাদীয়ার উদ্যোগে ত্রাণ ও ঘর নির্মাণসামগ্রী বিতরণ নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্ত্রীসহ বিদেশে পালানোর চেষ্টায় শেখ পরশ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সভা অনুষ্ঠিত ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে শিক্ষার্থীরা নজরুলের গান গাইতে গাইতে রাস্তায় নেমেছিল: রিজভী গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৫ ইউনিট নেপালে বন্যা ও প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার আশ্বাস মাথার অসুস্থতা নিয়ে কেউ এভাবে জনসম্মুখে বক্তব্য দেয়: রাশেদ খাঁন

ময়মনসিংহে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে অগ্নিকাণ্ড

admin
আপডেটঃ : শনিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬

অগ্নিকাণ্ড ডেস্ক রিপোর্টঃ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের ৯ তলা নতুন ভবনের ৬ তলায় শিশু ওয়ার্ডে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। শনিবার বিকেলে লাগা এই আগুনে প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও আতঙ্কিত হয়ে রোগীদের হুড়োহুড়িতে হাসপাতালে এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিটের চেষ্টায় প্রায় ৪৫ মিনিট পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিস ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৪টা ৩৬ মিনিটে নয়তলা ভবনের ষষ্ঠ তলার একটি স্টোর রুম থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই ধোঁয়া পুরো তলায় ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৯টি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহায়তায় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণ করে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী বিষয়টি নিশ্চিত করে সমকালকে জানান, ছয়তলায় রোগীদের আসবাবপত্র রাখার স্টোর রুম থেকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

আগুন লাগার পরপরই হাসপাতালের ভেতর ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে যায়। জীবন বাঁচাতে অসুস্থ শিশুদের কোলে নিয়ে স্বজনদের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার দৃশ্য দেখা যায়।

মো. রহমত আলী তার ২ বছর বয়সী শিশুকে নিয়ে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। তিনি বলেন, হঠাৎ দেখি চারদিক ধোঁয়ায় ভরে গেছে। আগুনের নাম শুনেই বাচ্চাকে কোলে নিয়ে অক্সিজেন মাস্ক ছাড়াই দৌড়ে নিচে নেমে আসি। সিঁড়িতে মানুষের চাপে আমার বাচ্চার অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গিয়েছিল।

হাসনা বেগম তার নাতনিকে নিয়ে হৃদরোগ বিভাগে ছিলেন। আতঙ্কের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ধোঁয়ার কারণে উপরে উঠতে পারছিলাম না, আবার নামতেও পারছিলাম না। কান্নাকাটি আর চিৎকার ছাড়া কিছু করার ছিল না। পরে কয়েকজন মিলে আমাদের নামিয়ে আনে।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ