• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পর্শে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু দেশের বৈচিত্র্যময় প্রতিভা অন্বেষণে আসছে নতুন রিয়েলিটি শো ‘প্রতিভার সন্ধানে’ যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গাউছিয়া সার্ভিস সেলে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার

ইতিহাস গড়তে চলেছে বাংলাদেশ

admin
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

খেলা ডেস্ক রিপোর্টঃ চার দশকেরও বেশি সময়ের অপেক্ষা। পুরুষদের পর এবার নারীদের হাতে এশিয়ার সেরা আসরে বাংলাদেশের পতাকা। ১৯৮০ সালে কুয়েতে সালাউদ্দিন-চুন্নুরা যে মঞ্চে লড়েছিলেন, দীর্ঘ বিরতির পর সেই মহাদেশীয় আসরে নতুন ইতিহাস লিখবেন আফঈদা-ঋতুপর্ণারা। এএফসি নারী এশিয়া কাপে প্রথমবার অংশ নেওয়ার রোমাঞ্চ লাল-সবুজ ফুটবলকন্যাদের।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে মেয়েদের অনুপ্রাণিত করতে গেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়াল। প্রথম ম্যাচেই প্রতিপক্ষ এশিয়ার পরাশক্তি চীন। সভাপতি মনে করিয়ে দিলেন, ফুটবল শুধু নাম-খ্যাতির খেলা নয়, দিনের পারফরম্যান্সই আসল।

দলের ফিটনেস, কৌশল ও প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট কোচিং স্টাফরা। ফিজিও, ফিটনেস ট্রেইনার ও পুষ্টিবিদের সঙ্গে আলাপ করে বাফুফে সভাপতি বলেন, ‘সামর্থ্যরে দিক থেকে আমরা পিছিয়ে নেই। মেয়েরা যদি নিজেদের সেরাটা দেয়, চমক দেখানো সম্ভব।’ খেলোয়াড়দের অনুরোধে তাবিথ আউয়াল বোনাসের আশ্বাস দিয়েছেন। তবে শর্ত হলো, দেশের জন্য সর্বস্ব উজাড় করে দিতে হবে মাঠে। ২০২৪ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর দেড় কোটি টাকা বোনাসের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা আজও পাননি মেয়েরা।

১২ দলের এই টুর্নামেন্টে তিন গ্রুপ। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপের সঙ্গে সেরা দুই তৃতীয় দল উঠবে কোয়ার্টার ফাইনালে। গ্রুপে চীন ও উত্তর কোরিয়ার মতো শক্ত প্রতিপক্ষ থাকলেও স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে পয়েন্ট পাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। সিডনির বাতাসে যখন মিশে যাবে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, তখন সেটি শুধু একটি ম্যাচের শুরু নয়, দীর্ঘ সংগ্রামের স্বীকৃতিও হবে। আফঈদা-ঋতুপর্ণারা হয়তো জানেন, প্রতিটি পাস, প্রতিটি ট্যাকল, প্রতিটি গোলচেষ্টা লিখে দেবে নতুন ইতিহাস। এশিয়ার মঞ্চে বাংলাদেশ, এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আর যদি চীনের বিপক্ষে চমক দেখাতে পারে লাল-সবুজ, সেটি হবে আরও বড় পাওয়া।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ