★ নিউজ ডেস্কঃ এএফসি কাপ বাছাইয়ের ম্যাচে ভারতের সঙ্গে দারুণ লড়াই হলো। তবে, শুধু গোলটাই পেলো না হামজা চৌধুরীর বাংলাদেশ। শিলংয়ে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটি গোলশূন্য (০-০) ড্র হয়েছে। এর আগে ম্যাচের বয়স ৩০ সেকেন্ড না হতেই ভারতের শিবিরে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বাংলাদেশ। ভারতের গোলরক্ষক বিশাল বায়েতের ভুলে বল পেয়েছিলেন মজিবুর রহমান জনি। তিনি কাটব্যাক করতে পারলে প্রথম আক্রমণেই এগিয়ে যেতে পারতো বাংলাদেশ। পারেননি জনি। ভারত বেঁচে যায় প্রথম মিনিটেই।
শুরুর দিকের বিধ্বস্ত অবস্থা কাটিয়ে ভারত ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ২২ মিনিটে বাংলাদেশ দলের জন্য দুঃসংবাদ হয়ে আসে এ ম্যাচের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করা তপু বর্মনের ইনজুরি।
ব্যথা পেয়ে তপু স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লে বদলি হিসেবে নামেন রহমত মিয়া। তপুর মাঠ ছাড়ার পর ভারত আস্তে আস্তে বাংলাদেশের সীমানা চিনতে থাক। সেই ধারাবাহিকতায় ২৮ মিনিটে লিস্টন কোলাসো বক্স থেকে নেন দুর্বল শট। বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিতুল মারমার সেই শট ঠেকাতে কোনো বড়ই পেতে হয়নি।
প্রথমার্ধে ভারত সবচেয়ে সহজ সুযোগ পায় ৩০ মিনিটে। পাল্টা আক্রমণ থেকেই সেই সুযোগটি এসেছিল ভারতের সামনে। উদান্তা সিংয়ের শট ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশের তরুণ ডিফেন্ডার শাকিল আহমেদ তপু। ফিরতে বলে বক্স থেকে শট নিয়েছিলেন ফারুক হাজি। তবে দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় সেই বল নিজের আয়ত্বে নিয়ে দলকে বাঁচান বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিতুল মারমা।
ভারতের বিপক্ষে লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করার শেষ সুযোগ বাংলাদেশ পেয়েছিল ৮২ মিনিটে। ডান দিক দিয়ে তৈরি হওয়া আক্রমণে ভারতীয় গোলরক্ষকে একা পেয়েছিলেন মজিবুর রহমান জনি। তবে তিনি ঠিকঠাকমতো শট নেওয়ার আগে দৌড়ে এসে বাধা দেন ভারতের গোলরক্ষক। প্রথমার্ধের শেষ রক্ষা হয় ভারতের। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের দুই দেশের প্রথম ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্যভাবে।
দ্বিতীয়ার্ধে দেখা যায় অন্য ভারতকে। খেলার শুরু থেকেই আক্রমণ করতে থাকে স্বাগতিকরা। ৫৫ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর ক্রসে সুনীল ছেত্রী মাথা ছোঁয়াতে পারলেই গোল হতে পারতো। বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিতুল পরাস্ত ছিলেন। এরপর ভারত একাধিক কর্নার আদায় করে কয়েক মিনিটের মধ্যে। হামজা এই অর্ধে রক্ষণেই বেশি সময় কাটিয়েছেন।
৬০ মিনিটে বাংলাদেশ শাহরিয়ার ইমন ও জনির পরিবর্তে চন্দন রায় ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকে নামায়। ৭৫ মিনিটে রাকিবের বাড়ানো বলে ফাহিম বক্সের মধ্যে গোলের সুযোগ পেয়েও মিস করেন। দুই মিনিট পর হ্যাভিয়ের দুই সোহেল রানাকে এক সঙ্গে নামান হৃদয় ও মোরসালিনের জায়গায়। একাধিক খেলোয়াড় পরিবর্তন করলেও ম্যাচের ফল পরিবর্তন করতে পারেননি কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা।