• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন

মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে চবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা, সেনা মোতায়েন

admin
আপডেটঃ : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ২০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। ভোরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে এলে শিক্ষার্থীরা হলে ফিরে যান।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের এক ছাত্রী ২ নম্বর গেটের মাছবাজার এলাকার শাহাবুদ্দিন নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাড়া থাকেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসায় প্রবেশের সময় দারোয়ানের সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে দারোয়ান ওই ছাত্রীকে মারধর করলে তিনি তার এক সহপাঠীকে খবর দেন।

পরে কয়েকজন শিক্ষার্থী ঘটনাস্থলে গেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বাধে। স্থানীয়রা মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে একত্রিত হয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। পাল্টা হিসেবে শিক্ষার্থীরাও চবির সোহরাওয়ার্দী হলের মসজিদের মাইক ব্যবহার করে ডেকে সংঘর্ষে জড়ান।

এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন— আরবি বিভাগের ফুয়াদ হাসান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শাওন, ইতিহাস বিভাগের তাহসান হাবিব, লোকপ্রশাসন বিভাগের আশরাফ রাতুল, গণিত বিভাগের লাবিব, ইংরেজি বিভাগের হাসান জুবায়ের হিমেল, অর্থনীতি বিভাগের নাহিন মুস্তফা, ফারসি বিভাগের আল-মাসনুন, ইসলামিক স্টাডিজের আশিক মিয়া, দর্শন বিভাগের মাহিন ও তামিম, সমাজতত্ত্ব বিভাগের হুমায়ুন কবির, ব্যাংকিং বিভাগের রিদুয়ান, অ্যাকাউন্টিং বিভাগের রিফাত ও রিপন, বাংলা বিভাগের সাইদুল ইসলাম এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ইয়েন।

চবি মেডিকেলের চিকিৎসক ডা. মুহাম্মদ টিপু সুলতান বলেন, অনেক শিক্ষার্থী আহত অবস্থায় চিকিৎসা নিতে এসেছেন। গুরুতর কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, আমাদের নিরাপত্তা টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল। তবে শিক্ষার্থীরা ছড়িয়ে থাকায় নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত উপস্থিতিও তখন ছিল না।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ