• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পর্শে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু দেশের বৈচিত্র্যময় প্রতিভা অন্বেষণে আসছে নতুন রিয়েলিটি শো ‘প্রতিভার সন্ধানে’ যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গাউছিয়া সার্ভিস সেলে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার যাকে আপনার পছন্দ হয় না, তাকেই ফ্যাসিস্ট বানিয়ে দেন

বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিতে ইইউকে অনুরোধ করবে ইউক্রেন

admin
আপডেটঃ : শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ রাশিয়ার দখলকৃত ইউক্রেনীয় অঞ্চল থেকে সংগৃহীত গম বাংলাদেশ আমদানি করছে—এমন অভিযোগ এনেছে ইউক্রেন। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সতর্ক করার পরও আমদানি বন্ধ না হওয়ায় ইউক্রেন এবার বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কাছে নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানাবে বলে জানিয়েছে দেশটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের ভারতস্থ রাষ্ট্রদূত ওলেক্সান্ডার পোলিশচুক জানান, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধিক চিঠি পাঠানো হলেও সেগুলোর কোনো জবাব আসেনি। ফলে কিয়েভ বিষয়টি ইইউতে উত্থাপন করতে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘রাশিয়ার কিছু কোম্পানি অধিকৃত ইউক্রেনীয় এলাকা থেকে শস্য সংগ্রহ করে তা রাশিয়ার গমের সঙ্গে মিশিয়ে রপ্তানি করছে, যা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অপরাধ। আমরা এই বিষয়ে আমাদের গোয়েন্দা তথ্য এবং তদন্ত প্রতিবেদন ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে তুলে ধরবো।’

রয়টার্সের কাছে থাকা নথির ভিত্তিতে বলা হয়, চলতি বছর ইউক্রেনের নয়াদিল্লি দূতাবাস থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে। এসব চিঠিতে রাশিয়ার কফকাজ বন্দর থেকে আমদানিকৃত ১.৫ লাখ টনেরও বেশি চুরি করা গম গ্রহণ না করার আহ্বান জানানো হয়।

২০১৪ সাল থেকে ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তৃত কৃষিভূমি রাশিয়া নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর থেকেই গম চুরির অভিযোগ তুলেছে কিয়েভ। ২০২২ সালের পূর্ণ মাত্রার আগ্রাসনের পর এ ধরনের অভিযোগ আরও জোরালো হয়। তবে মস্কোর দাবি, ওই অঞ্চল এখন রাশিয়ার অংশ এবং তারা নিজেদের উৎপাদিত গমই বৈধভাবে রপ্তানি করছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, এ বিষয়ে যোগাযোগ করলেও বাংলাদেশ ও রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বাংলাদেশের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “বাংলাদেশ কখনোই চুরি করা গম আমদানি করে না। রাশিয়ার অধিকৃত অঞ্চল থেকে কোনো গম আমদানি করা হয়নি।”

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ