• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গাছা থানায় এনসিপি নেতা সিফাত গ্রেফতার শান্তিপূর্ণভাবে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু বীমা খাতে গ্রাহকদের স্বার্থ সুরক্ষা ও বকেয়া দাবি নিষ্পত্তিতে আইডিআরএর কঠোর অবস্থান সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও সম্মানী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ জামালপুর-ঢাকা রুটে বাস চলাচল বন্ধ তিন ব্যাংকের এমডির চুক্তি বাতিল

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান

admin
আপডেটঃ : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অপরাধ ডেস্কঃ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি এবং পদোন্নতি কেন্দ্র করে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং অপর তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অন্য যে তিনজনের বিরুদ্ধে দুদক অনুসন্ধান করেছে, তারা হলেন—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন ও উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ।

অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য কমিশন চার সদস্যের একটি অনুসন্ধান টিম গঠন করেছে। দুদকের উপপরিচালক মো. জাহিদ কালামের নেতৃত্বে গঠিত এই দলে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সহকারী পরিচালক মো. নাসরুল্লাহ হোসাইন এবং উপসহকারী পরিচালক ইমরান আকন ও রোমান উদ্দিন।

প্রাপ্ত অভিযোগ অনুযায়ী, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার বর্তমান দায়িত্ব বাতিল করে পুনরায় নতুন পদায়নের আদেশের মাধ্যমে প্রায় ৭৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অন্য একটি অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পছন্দের জায়গায় পদায়নের বিনিময়ে কিছু কর্মকর্তার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে পদোন্নতি এবং পদায়ন সংক্রান্ত এই অনিয়মে মোট আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ কোটি টাকা।

এছাড়া যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাদের একটি সিন্ডিকেট অধিদপ্তরের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং কেনাকাটায় অনিয়মের সঙ্গে জড়িত এবং সেই অবৈধ অর্থ দিয়ে তারা বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, তারা এখন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের তদন্ত করবে এবং কোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায় কি না তা খতিয়ে দেখবে।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ