ব্যাংক-বীমা ডেস্ক রিপোর্টঃ বীমা খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করতে আজ ০৭ মার্চ, ২০২৬ তারিখে বরিশাল অঞ্চলে এক বিশাল ‘বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি-এর শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে গ্রাহকের হাতে তাদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এই আয়োজনটি কেবল একটি সভা নয়, বরং দক্ষিণাঞ্চলের বিমা শিল্পে এক নতুন প্রাণসঞ্চার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আজ শনিবার বরিশালের স্থানীয় একটি মিলনায়তনে আয়োজিত এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিমা শিল্পের কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব এবং বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট জনাব বি এম ইউসুফ আলী। তিনি তার বক্তব্যে গ্রাহকসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে কয়েক কোটি টাকার বিমা দাবির চেক সরাসরি গ্রাহকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যা উপস্থিত জনতাকে আশ্বস্ত করেছে যে সময়মতো বিমা দাবি পরিশোধই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্সের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব বি এম শওকত আলী। তিনি বরিশাল অঞ্চলের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ২০২৬ সালের আধুনিক বিমা প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করেন।
বিমা খাতে যখন অনেক সময় দাবি পরিশোধ নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা থাকে, সেখানে পপুলার লাইফের এই প্রকাশ্য চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান একটি ‘পজিটিভ সেনসেশন’ তৈরি করেছে। স্থানীয়দের মতে:
জনসম্মুখে বড় অংকের চেক হস্তান্তর গ্রাহকদের মনে আস্থার জন্ম দিয়েছে।
সরাসরি সিইও এবং প্রেসিডেন্ট পর্যায়ের ব্যক্তির উপস্থিতি মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মনোবল কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
বরিশাল অঞ্চলে বিমা পলিসির মাধ্যমে সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়াতে এই সভাটি একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।
ব্যবসা উন্নয়ন সভায় বি এম ইউসুফ আলী বলেন, “আমরা কেবল ব্যবসা করতে আসিনি, মানুষের বিপদের সময় পাশে দাঁড়াতে এসেছি। ২০২৬ সালের বিমা শিল্প হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং ডিজিটাল।” তার এই ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের ঘোষণা উপস্থিত তরুণ প্রজন্মের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
![]()