• বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন

ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর ইঙ্গিত ট্রাম্পের

admin
আপডেটঃ : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬

বিশ্ব ডেস্ক রিপোর্টঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘প্রয়োজন’ পড়লে ইরানে স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টি তিনি নাকচ করছেন না।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা তৃতীয় দিনে গড়ানোর পর সোমবার নিউ ইয়র্ক পোস্ট পত্রিকায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ইরানে মার্কিন স্থলসেনা পাঠানো নিয়ে আমার কোনো জড়তা নেই। অন্য প্রেসিডেন্টরা যেমন বলেন, স্থলভাগে কোনো সেনা মোতায়েন করা হবে না। আমি তা বলি না। আমি বলি, সম্ভবত তাদের (স্থলসেনা) প্রয়োজন নেই অথবা যদি প্রয়োজন হয় (তবে পাঠানো হবে)।’

ইরানে হামলার বিষয়ে জনমত জরিপে উঠে আসা অসন্তোষ নিয়েও ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও ইপসোস-এর এক জরিপে দেখা গেছে, ইরানে হামলার বিপক্ষে ৪৩ শতাংশ আমেরিকান মত দিয়েছেন।

তবে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন, তিনি এ নিয়ে চিন্তিত নন।

তিনি বলেন, জরিপের ফল খারাপ হোক বা না হোক, আমার মতে তা সম্ভবত ঠিকই আছে। তবে এটি জরিপের কোনো বিষয় নয়। আমাকে সঠিক কাজই করতে হবে।

ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান এমন একটি দেশ যা ‘উন্মাদ কিছু মানুষ’ দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এবং তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে দেওয়া যায় না। ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযানে মানুষ অত্যন্ত মুগ্ধ বলেও তিনি নিজের বিশ্বাসের কথা জানান। তার মতে, এটি একটি ‘নীরব বিষয়’ এবং প্রকৃত বা নীরব জনমত জরিপ করলে নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন পাওয়া যাবে।

এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া আরেক সাক্ষাতকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের একটি ‘বিশাল ঢেউ’ এখনো বাকি। বর্তমান অভিযানকে তিনি আরো বড় আকারের আক্রমণের কেবল শুরু বলে উল্লেখ করেন।

তার ভাষায়, আমরা এখনো তাদের ওপর কঠোর আঘাত শুরুই করিনি। বড় সেই ঢেউ এখনো আসেনি। বড় আঘাত খুব শিগগিরই আসছে।

সংঘাতের স্থায়িত্ব নিয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি চান না এটি দীর্ঘ সময় ধরে চলুক। তিনি আগে ভেবেছিলেন এটি চার সপ্তাহ স্থায়ী হবে এবং অভিযান বর্তমানে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে আছে বলে মন্তব্য করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, এই যুদ্ধে তার জন্য সবচেয়ে বড় বিস্ময় ছিল বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর ইরানের হামলা। প্রাথমিক হামলায় ইরানের অন্তত ৪৯ জন নেতা নিহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ