• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সোমবার পদত্যাগ করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সুইজারল্যান্ডে নতুন করে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান বিশ্ব বাবা দিবস আজ আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের খোঁজে রাজধানীসহ দেশজুড়ে পুলিশের তল্লাশি উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নতুন প্রকল্পে প্রাণচাঞ্চল্য, মুন্সীগঞ্জে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তারুণ্যের মেধা ও প্রযুক্তির শক্তিতেই গড়ে উঠবে সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ইসরাইলি হামলায় লেবাননে নিহত ৫ পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বীমা দাবির চেক হস্তান্তর এনসিপির কিছু সাংগঠনিক কার্যক্রম ‘মদের বারে’ হচ্ছে, মন্তব্য রাশেদ খাঁনের

সোমবার পদত্যাগ করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

admin
আপডেটঃ : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্টঃ যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন করে অনিশ্চয়তার আবহ তৈরি হয়েছে। ব্রিটিশ পত্রিকা অবজারভার-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার সোমবার (২২ জুন) পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে নিজের বিদায়ের সম্ভাব্য সময়সীমাও নির্ধারণ করতে পারেন। যদিও সরকারের একটি সূত্র এ ধরনের জল্পনা নাকচ করে জানিয়েছে, স্টারমার বর্তমানে সরকারের দায়িত্ব পালনের দিকেই মনোযোগী রয়েছেন।

রোববার (২১ জুন) বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, অবজারভারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে নিজের বিদায়ের একটি সময়সীমা নির্ধারণ করতে পারেন স্টারমার।

গত কয়েক মাস ধরেই তার নেতৃত্ব নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে শুক্রবার, যখন তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহাম পার্লামেন্টের একটি আসনে জয় পান। এর ফলে তিনি ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতৃত্বের প্রশ্নে স্টারমারের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারেন।

অবজারভারের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সম্ভাব্য পদত্যাগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন স্টারমার। এ অবস্থায় সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে একটি স্পষ্ট বক্তব্যের অপেক্ষায় রয়েছেন লেবার পার্টির শীর্ষ নেতারা।

এর আগে শুক্রবার স্টারমার বলেছিলেন, তার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোনো চ্যালেঞ্জ এলে তিনি তা মোকাবিলা করবেন। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জড়িয়ে দলকে বিভক্ত না করতে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনে স্টারমারের নেতৃত্বে ভূমিধস জয় পেয়েছিল লেবার পার্টি। তবে দুই বছরের মধ্যেই তার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। অনেক ভোটারের অভিযোগ, জীবনমান উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে সরকার প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে পারেনি। সূত্র: রয়টার্স

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ