• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পর্শে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু দেশের বৈচিত্র্যময় প্রতিভা অন্বেষণে আসছে নতুন রিয়েলিটি শো ‘প্রতিভার সন্ধানে’ যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গাউছিয়া সার্ভিস সেলে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার

পাক-ভারত যুদ্ধে বিসিবির পর্যবেক্ষণে নাহিদ-রিশাদের নিরাপত্তা

admin
আপডেটঃ : বুধবার, ৭ মে, ২০২৫

  • নিউজ ডেস্কঃ ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে চলমান উত্তেজনা অবশেষে রূপ নিয়েছে খোলাখুলি সংঘাতে। গতকাল রাতে পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে আচমকা বিমান হামলা চালায় ভারত, যার জবাবে পাল্টা আক্রমণ চালায় পাকিস্তানও। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলতে যাওয়া বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেনকে ঘিরে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

এবারের পিএসএলে বাংলাদেশ থেকে তিন ক্রিকেটার অংশ নেন। তবে করাচি কিংসের হয়ে নাম লেখালেও ইনজুরির কারণে দেশে ফিরে গেছেন লিটন দাস। আর লাহোর কালান্দার্সের হয়ে ইতোমধ্যে পাঁচ ম্যাচে অংশ নিয়ে ৯ উইকেট নেওয়া রিশাদ ও পেশোয়ার জালমির হয়ে এখনো অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা পেসার নাহিদ রানা রয়েছেন পাকিস্তানে।

ভারতের হামলায় পাকিস্তানের নয়টি স্থানে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো। পাল্টা আক্রমণে পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা ধ্বংস করেছে ভারতের পাঁচটি যুদ্ধবিমান। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানে অবস্থানরত দুই বাংলাদেশি ক্রিকেটারের নিরাপত্তা নিয়ে সরব হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। রিশাদ ও নাহিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, তাদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বোর্ড। বিসিবি সভাপতি ফরুক আহমেদও বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি পিএসএল সিইও সালমান নাসের ও রিশাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছেন। পাশাপাশি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এবং ইসলামাবাদে বাংলাদেশের হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বিসিবি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘পিসিবি ও হাইকমিশনের সহযোগিতায় আমরা কৃতজ্ঞ। পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত আছি এবং বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’

রিশাদের দল লাহোর কালান্দার্সের হাতে রয়েছে আর মাত্র একটি ম্যাচ, আর নাহিদের পেশোয়ার জালমির রয়েছে দুটি ম্যাচ। দল প্লে-অফে উঠলে বা ফাইনালে গেলে এই দুই ক্রিকেটারের পাকিস্তানে থাকতে হতে পারে মে মাসের ১৮ তারিখ পর্যন্ত। তবে চলমান সংঘাতময় পরিস্থিতির অবনতি হলে হয়তো আগেই ফিরতে হতে পারে তাদের।

এদিকে চলতি মাসের শেষদিকে পাকিস্তানে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের। মিরপুরে সেই সিরিজকে সামনে রেখে চলছে প্রস্তুতিও। তবে যুদ্ধাবস্থায় পড়ায় সেই সফর নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সিরিজ নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ