• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পর্শে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু দেশের বৈচিত্র্যময় প্রতিভা অন্বেষণে আসছে নতুন রিয়েলিটি শো ‘প্রতিভার সন্ধানে’ যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গাউছিয়া সার্ভিস সেলে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার

ধর্ষণের শিকার জুলাই শহীদের মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

admin
আপডেটঃ : রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫

  • নিউজ ডেস্কঃ ধর্ষণের ঘটনার পর জুলাই আন্দোলনে শহীদ জসিম উদ্দিনের মেয়ে লামিয়া (১৭) গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাত ১১টায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন দুমকি থানার ওসি মো. জাকির হোসেন।

জানা যায়, রাত ১০টায় রাজধানীর শেখেরটেক ৬ নম্বর রোডের বি/৭০ নম্বর বাড়ির ভাড়া বাসায় তার নিজকক্ষে গলায় ফাঁস দেন লামিয়া। পরে তাকে দ্রুত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

শহীদ জসিম উদ্দিনের চাচাতো ভাই কালাম হাওলাদার বলেন, গত ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর পাংগাশিয়া ইউনিয়নে নিজ বাড়ি থেকে নানা বাড়ি যাওয়ার পথে লামিয়া সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। পরে তিনি নিজেই বাদী হয়ে দুমকি থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর থেকেই তিনি মারাত্মক মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। সামাজিক লজ্জা, চাপ ও বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতায় হতাশ হয়ে পড়েন লামিয়া।

সর্বশেষ এসব চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহননের পথ বেছে নেন বলে দাবি করে নিহতের পরিবার।

এ দিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ‎প্রতিবেশী জানান, সন্ধ্যার পর মা-মেয়ে মিলে কাপড় কিনেছিল। রোববার বিকেলে লঞ্চে করে বাড়িতে যাবে। শনিবার রাতে ছোট মেয়েকে নিয়ে মাদরাসায় যাওয়ার পর বড় মেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছে। হয়তো কেউ তাকে ফোনে এমন কোনো হুমকি দিয়েছে। যার কারণে সে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে। আমরা এ হত্যার বিচার চাই।

এ বিষয়ে দুমকি থানার ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। নিহতের পরিবারের সঙ্গে আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।

পটুয়াখালী জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান টোটন বলেন, উক্ত ঘটনায় অভিযুক্ত দুজন আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিচার প্রক্রিয়াধীন, আসামিরা পটুয়াখালী জেলা কারাগারে রয়েছেন।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শহীদের পরিবার।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ