• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দুর্ব্যবহার নয়, মানবিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও প্রকাশকারী তাহসিফের মৃত্যু রহস্য নিয়ে তদন্তের দাবি আশকোনা হজ ক্যাম্পে বিমানের টিকিট বিক্রয় কাউন্টার পুনরায় চালু শাহজালালে কাস্টমসের অভিযানে জব্দ ১২ কেজি স্বর্ণ নিকুঞ্জের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম উপনির্বাচন: বিনা লড়াইয়ে জয় পাচ্ছেন এলিজা জামান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের গভর্নরের নেত্রকোণায় ৫ ভারতীয় গরু আটক বিজিবির, এসকাফসহ নারী গ্রেপ্তার

ইরানকে বেকায়দায় ফেলতে যুক্তরাষ্ট্রের ঘেরাও কৌশল

admin
আপডেটঃ : শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বৃহস্পতিবার ১৯ জুন) বলেছেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জড়াবে কি না। ট্রাম্পের এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ওই এলাকায় ব্যাপক সামরিক সরঞ্জাম জড়ো করেছে এবং ইরান ও ইউরোপীয় নেতৃত্বাধীন সংঘর্ষ প্রশমন প্রচেষ্টার ওপর চাপ তৈরি করেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স বলছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সরাসরি ইসরায়েলের বিমান হামলায় যুক্ত হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বহু মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থেকে ইরানে হামলা চালানো হবে, ফলে এসব ঘাঁটিই ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠতে পারে।

যেসব ঘাঁটি সম্ভাব্য ইরানি হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে, সেখান থেকে ইতোমধ্যে কিছু বিমান ও জাহাজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে বুধবার রয়টার্সকে জানান দুজন মার্কিন কর্মকর্তা।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস একটি সতর্কবার্তা জারি করে, অস্থায়ীভাবে তাদের কর্মীদের আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এই ঘাঁটিটি মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক স্থাপনা, যা দোহার বাইরে মরুভূমিতে অবস্থিত।

এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যে এফ-১৬, এফ-২২ এবং এফ-৩৫-সহ আরও কিছু যুদ্ধবিমান মোতায়েন শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, এই বাহিনী ড্রোন ও অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করে নামিয়ে কর্মী ও স্থাপনাগুলোর সুরক্ষা দিতে পারবে।

রয়টার্স আরও জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক আরও কিছু মার্কিন সামরিক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তারমধ্যে চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইউরোপে বহু ট্যাংকার বিমান পাঠানো হয়েছে। ইউএসএস নিমিৎজ বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপকেও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানো হয়েছে, যা আগে থেকে মোতায়েনকৃত ইউএসএস কার্ল ভিনসনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এছাড়া স্যাটেলাইট চিত্রে যুক্তরাজ্য-মার্কিন যৌথ সামরিক ঘাঁটি দিয়েগো গার্সিয়ায় বি-৫২ বোমারু বিমানসহ অন্যান্য যুদ্ধবিমান দেখা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত যাই আসুক, সহসাই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থামছে না। মোদ্দা কথা, দীর্ঘতম যুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য। তার প্রভাব সারাবিশ্বের ওপর পড়বে। যার ফলাফল ভয়াবহ হতে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ