• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দুর্ব্যবহার নয়, মানবিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও প্রকাশকারী তাহসিফের মৃত্যু রহস্য নিয়ে তদন্তের দাবি আশকোনা হজ ক্যাম্পে বিমানের টিকিট বিক্রয় কাউন্টার পুনরায় চালু শাহজালালে কাস্টমসের অভিযানে জব্দ ১২ কেজি স্বর্ণ নিকুঞ্জের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম উপনির্বাচন: বিনা লড়াইয়ে জয় পাচ্ছেন এলিজা জামান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের গভর্নরের নেত্রকোণায় ৫ ভারতীয় গরু আটক বিজিবির, এসকাফসহ নারী গ্রেপ্তার

হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড

admin
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্কঃ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে দলটির অন্য তিন নেতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এদিন দুপুর ১২টায় সংক্ষিপ্ত রায় পড়েন বিচারপতি নজরুল ইসলাম। এরপর কাকে কী দণ্ড দেওয়া হয়েছে, তা ঘোষণা করেন তিনি।

আমৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী ও কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। মামলার চার আসামিই পলাতক।

ট্রাইব্যুনালে চিপ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, জহিরুল আমিনসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর উপস্থিত ছিলেন। পলাতক আসামিদের পক্ষে ছিলেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন।

গত ৭ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ২৭ অক্টোবর রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

এর আগে, ১০ জুন যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষ অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মধ্য দিয়ে মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

২০২৫ সালের ২ নভেম্বর চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। ওই বছরের ৫ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। পরদিন ৬ অক্টোবর অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ