• মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পরশুরামে ছাত্রদলের স্বাগত মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুনঃবীমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে IDRA ও BIA-এর বৈঠক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনৈতিক নয়, গঠনমূলক কাজ করে দলকে শক্তিশালী করুন: রিজভী ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে যাওয়া সামিয়া দিলেন দুঃসংবাদ মনোহরদীতে নাতির বিরুদ্ধে দাদার অদ্ভুত মাইকিং, এলাকাজুড়ে তোলপাড় মোবাইলের আলোতে জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করেন মার্কিন প্রতিনিধি দল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি পিয়াল গ্রেফতার স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নৌ ও বিমানবাহিনীর অবদান স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর ওড়িশা উপকূলে বাংলাদেশিসহ ২৪ নাবিক নিয়ে জাহাজডুবি

রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার

admin
আপডেটঃ : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

আইন-আদালত ডেস্ক রিপোর্টঃ করোনাকালে রোগীদের নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া রিপোর্ট প্রদান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির। তিনি জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষায় জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ২০২০ সালে আলোচনায় আসে রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল। ওই বছরের ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রাজধানীর উত্তরা ও মিরপুরে রিজেন্ট হাসপাতালের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পরীক্ষা ছাড়াই করোনা সনদ প্রদান, প্রতারণা এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এরপর ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও এর মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। একই দিন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে ২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরা থেকে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন সাহেদ। এরপর বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন তিনি।

২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর তাকে কারামুক্ত করা হয়েছিল।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ