• বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন

মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী

admin
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্টঃ ভারতের দিল্লিতে প্রতিবাদরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি অভিযানের ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। সোমবারের (২১ জুলাই) ঘটনাকে তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর ‘নির্মমতা’ বলে উল্লেখ করেছেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংসদের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রাহুল গান্ধী প্রশ্ন ছুড়ে দেন—শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন নীরব রয়েছেন? তিনি এ ঘটনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়া উচিত বলেও দাবি করেন।

রাহুল গান্ধী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কেন নীরব? পুলিশ যেসব শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে, তাদের কাছে তিনি এখনো ক্ষমা চাননি। তার কথা বলা উচিত এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের পুলিশি পদক্ষেপ বন্ধ করা উচিত।’

এর আগে মঙ্গলবার সকালে সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে রাহুল গান্ধী বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনার দাবি জানান।

সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, ‘আমাদের দাবি খুবই স্পষ্ট—গতকাল শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো নির্মমতা এবং পরীক্ষা সংকট নিয়ে সরকারের জবাবদিহিতার অভাব সম্পর্কে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হতে হবে।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ন্যায্য প্রশ্ন তোলার কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। রাহুল প্রশ্ন করেন, ‘যদি ভারতের তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংসদে আলোচনা না হয়, তাহলে সংসদের কাজ কী?’

তিনি আরও বলেন, বিরোধী দল এ বিষয়টি চাপা পড়তে দেবে না এবং শিক্ষার্থীদের কণ্ঠ সংসদ ও রাজপথে তুলে ধরতে লড়াই চালিয়ে যাবে।

সোমবার হাজারো শিক্ষার্থী সংসদ অভিমুখে মিছিল করলে দিল্লিতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। এ ঘটনায় শতাধিক পুলিশ সদস্য ও ৬০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী আহত হন বলে জানা গেছে।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেও এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে সংসদে আলোচনা দাবি করেছেন। তিনি প্রশ্ন করেন, ন্যায়বিচারের দাবি জানানো শিক্ষার্থীদের কেন লাঠি ও কাঁদানে গ্যাসের মুখে পড়তে হলো।

খাড়গে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগও দাবি করেন।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন।

সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, প্রধানমন্ত্রী একটি নির্ভুল ও নিরাপদ পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর জোর দিয়েছেন।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ