• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সামান্তা শারমিনের জায়গা রাজনীতিতে আরও বড় হওয়া দরকার রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ট্রাম্প হত‍্যা মামলায় ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখাল ডিবি যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মোজতবা খামেনির কঠোর হুশিয়ারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত হেলিকপ্টারে মোংলা, পরে সড়ক পথে খুলনা যাবেন প্রধানমন্ত্রী ডিবি হেফাজত থেকে পরিবারে সাংবাদিক রাজীব ঘোষ, গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান

আফ্রিকাকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী আসন দেওয়ার আহ্বান খলিলুর রহমানের

admin
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয় ডেস্কঃ বর্তমান বিশ্বে আফ্রিকার গুরুত্বও দ্রুত বাড়ছে। মহাদেশটি জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, অভিবাসন, সন্ত্রাসবাদ, শান্তিরক্ষা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে আফ্রিকার বিভিন্ন সংঘাত ও মানবিক সংকটও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনায় নিয়মিত উঠে আসে। ফলে যে মহাদেশ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার নানা সংকটের সরাসরি প্রভাব বহন করছে, সেই মহাদেশের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ কাঠামোয় স্থায়ী উপস্থিতি থাকা উচিত এটাই আফ্রিকার মূল যুক্তি।

তবে খলিলুর রহমানের বক্তব্যের পরও তাৎক্ষণিকভাবে আফ্রিকার জন্য স্থায়ী আসন নিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি এখনো জাতিসংঘের আন্তঃসরকারি আলোচনার অংশ। নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামো পরিবর্তনের জন্য সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিস্তৃত রাজনৈতিক সমঝোতা প্রয়োজন।

তবু এবারের অধিবেশনে আফ্রিকার প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। বাংলাদেশের কূটনীতিক ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে খলিলুর রহমানের সরাসরি আহ্বান সেই বিতর্ককে আরও জোরালো করেছে। তাঁর বক্তব্যের মূল বার্তা হলো বিশ্বব্যবস্থার বৈধতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে হলে বৈশ্বিক দক্ষিণের, বিশেষ করে আফ্রিকার, কণ্ঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করতে হবে।

সুতরাং “আফ্রিকা টেবিলে, মেনুতে নয়” এই বক্তব্যটি কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়; এটি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বহু বছরের কাঠামোগত সংস্কার বিতর্কের প্রতীকী প্রকাশ। এখন দেখার বিষয়, সদস্যরাষ্ট্রগুলো এই আহ্বানকে কতটা বাস্তব সংস্কারে রূপ দিতে পারে।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ