• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মনিরা শারমিনের বিস্ফোরক স্ট্যাটাস মাঝ রাতে! বাধ্যতামূলক অবসরে ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শক আফতাবনগরে ডিবির সঙ্গে গোলাগুলিতে পাভেল ডাকাত গুলিবিদ্ধ নরসিংদীতে হানি ট্র্যাপ চক্রের ৪ সদস্য ও কথিত কোর্ট কমিশনার সহ গ্রেফতার ৩৮ তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘে বাংলাদেশের মনোনীত স্থায়ী প্রতিনিধির সাক্ষাৎ তৃণমূলের রাজনীতি থেকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসতে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল গণভোটের রায় প্রতিষ্ঠিত হলে অলি আহমেদ রাষ্ট্রপতি হতেন: হামিদুর রহমান আযাদ রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল

আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিলো হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিকরা

admin
আপডেটঃ : বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫

  • নিউজ ডেস্কঃ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নকশা ও নীতিবহির্ভূত রেস্তোরাঁর ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করায়, মালিকরা হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধের পাশাপাশি আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

গেলো বছর রাজধানীর বেইলী রোডে রেস্তোরার আগুনে প্রাণ যায় অর্ধশত জনের। সরকার নড়েচড়ে বসে। বেশ কিছু অভিযান চালানো হয়। তদন্ত কমিটি আর সরকারি কর্মকর্তাদের হম্বিতম্বিও চোখে পড়ে। তারপর সবকিছু সেই আগের মতই।

আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক কার্যক্রমে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু না করার বিধান থাকলেও সিটি করপোরেশন নিজেই এমন রেস্তোরাঁকে দিয়েছে লাইসেন্স। মিরপুর ধানমন্ডিসহ পুরো রাজধানীতে নকশা বহির্ভূত রেঁস্তোরা রয়েছে অনেক।

সোমবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নকশাবহির্ভুত রেস্তোরাঁয় ইস্যুকৃত সেসব লাইসেন্স বাতিল করেছে। ডিএসসিসির কাছে প্রশ্ন ছিলো- লাইসেন্স দেয়ার সময় নিয়ম ভেঙ্গে কেন দেওয়া হলো অনুমতি। তবে কি অনৈতিক সুবিধা পেয়েছে করপোরেশনের কর্মকর্তারাও?

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, প্রশাসনিক অনুমোদন নিয়ে এই লাইসেন্সগুলো দেওয়া হয়নি। কিছু অসৎ কর্মচারীকে ভুল বুঝিয়ে এগুলো নেওয়া হয়েছে। মূলত, এই কারণেই লাইসেন্সগুলো বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন
সিটি করপোরেশন বলছে রেঁস্তোরা বন্ধ করতে মালিকদের কোনো সময় দেওয়ার সুযোগ নেই। কর্তৃপক্ষ যে কোনো সময় অভিযানে নামবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া আরও বলেন, লাইসেন্স বাতিলের পর রেস্তোরাঁগুলো নিজস্ব উদ্যোগে এগুলো সরিয়ে নেবে। যারা পূর্বে দায়িত্বে ছিলেন, তারা যদি যথাযথভাবে বিষয়গুলো মনিটর করতেন, তাহলে এই সংখ্যা এতো বড় হতো না।

এমন সিদ্ধান্তে রেঁস্তোরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুমী উদ্যোগে প্রায় বিপাকে পড়তে হয় রেঁস্তোরা ব্যবসায়ীদের। ভয় না দেখিয়ে স্থায়ী সমাধান চান তারা।

ভোজন রশিক বাঙালির খাবার বিনোদন নিরাপদ রাখতে কথায় নয় কাজে প্রমাণ দেওয়ার আহবান রাজধানীবাসীর।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ