ডেস্ক রিপোর্টঃ টেকনাফের হোয়াইক্যাং এলাকায় মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরাকান আর্মির (এএ) ছোড়া গুলিতে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী হুজাইফা আফনানের অবস্থা সংকটাপন্ন। বর্তমােন সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। অপারেশন করেও তার মাথার ভেতরে থাকা গুলি বের করা সম্ভব হয়নি। মস্তিষ্কের চাপ কমাতে মাথার খুলি খুলে ফ্রিজে রাখা হয়েছে।
এদিকে সোমবার (১২ জানুয়ারি) একই এলাকায় স্থলমাইনের বিস্ফোরণে হানিফ নামে এক যুবকের পা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, উভয় ঘটনায় দায়ী আরাকান আর্মির সন্ত্রাসী কার্যক্রম।
হুজাইফার চাচা শওকত আলী জানিয়েছেন, হুজাইফার অবস্থা আশঙ্কাজনক। গত রোববার রাতে মাথার অপারেশন করা হয়েছে, খুলিটি আলাদা করে ফ্রিজে রাখা হয়েছে। হুজাইফার শরীরের অন্যান্য অংশে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রক্ত অপসারণ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেলের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ বলেন, গুলি মস্তিষ্কের ভেতরে থাকায় বের করা সম্ভব হয়নি। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানো হয়েছে।
হোয়াইক্যাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ জালাল ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু জানান, সীমান্তের একাধিক জায়গায় আরাকান আর্মি মাইন পুঁতেছে। পূর্বে এই ধরনের বিস্ফোরণে স্থানীয় জেলেরা আহত হয়েছেন। সোমবারের বিস্ফোরণেও হানিফ একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয়দের দাবি, সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আগ্রাসন এবং স্থলমাইন পুঁতানোর কারণে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা প্রয়োজন।
![]()