ডেস্ক রিপোর্টঃ ইরান পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো বিমান হামলার বিকল্প বিবেচনায় রাখছেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এ কথা বলেন।
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বড় শক্তি হলো—তিনি সব সময় সব বিকল্প খোলা রাখেন। বিমান হামলা সেই বহু বিকল্পেরই একটি। তবে কূটনীতিই সব সময় প্রেসিডেন্টের প্রথম পছন্দ।
ক্যারোলিন লেভিট আরও বলেন, প্রয়োজনে এবং যখন প্রেসিডেন্ট তা প্রয়োজন মনে করবেন, তখন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মারাত্মক শক্তি ও সামরিক সক্ষমতা ব্যবহারে তিনি দ্বিধা করেন না। ইরান বিষয়টি খুব ভালোভাবেই জানে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে লেভিট গত গ্রীষ্মে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথাও উল্লেখ করেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সাম্প্রতিক ‘বিজয়ের বার্তা’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে হোয়াইট হাউজের এই মুখপাত্র বলেন, ইরানি শাসনব্যবস্থা প্রকাশ্যে যা বলছে, বাস্তবে প্রশাসন যে বার্তা পাচ্ছে, তা তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
এদিকে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করতে যুক্তরাজ্যকে সতর্ক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
এর আগে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার ফোনালাপে ইরানের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানান। জবাবে আব্বাস আরাঘচি বলেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকা উচিত।
ফোনালাপের সময় ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী লন্ডনে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও যুক্তরাজ্যের প্রতি আহ্বান জানান।
![]()