• বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন

ওসমান হাদির ঘটনা বিচ্ছিন্ন, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়নি

admin
আপডেটঃ : সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে যে কোনো ধরনের সংশয় ও দুশ্চিন্তা দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন, নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার গুলশানে এক অনুষ্ঠানে সিইসি এই মন্তব্য করেন।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আইনশৃঙ্খলা অবনতি হলো কোথায়? একটু মাঝেমধ্যে দুই একটা খুন খারাবি হয়। এই যে হাদির একটা ঘটনা হয়েছে, আমরা এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে করি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আইনশৃঙ্খলা অবনতি হলো কোথায়? একটু মাঝেমধ্যে দুই একটা খুন খারাবি হয়। এই যে হাদির একটা ঘটনা হয়েছে, আমরা এগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে করি।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে অতীতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আহসানউল্লাহ মাস্টার এবং সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়ার প্রসঙ্গ টেনে সিইসি বলেন, এ ধরনের ঘটনা তো সবসময় ছিল। আগে আহসানউল্লাহ মাস্টারের সঙ্গেও এরকম হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা হয় বাংলাদেশে, এটা নতুন কিছু না।

তিনি আরও বলেন, গত ৫ আগস্ট বা ২৪-এর পরিস্থিতির তুলনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং নির্বাচনের সময় পর্যন্ত শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকবে।

সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, ঐতিহাসিক নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি মিডিয়াসহ বিভিন্ন মহলে নির্বাচন নিয়ে কিছু আশঙ্কা হয়ত আছে, তবে আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই- নির্বাচন নিয়ে আমাদের কোনো সংশয় নেই। আমরা সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত। ইনশাআল্লাহ, নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তা হবে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে, সবার সহযোগিতা নিয়ে।

তিনি সবার প্রতি অনুরোধ জানান, আপনাদের মাথায় যত ধরনের দুশ্চিন্তাই আসুক না কেন, আমি অনুরোধ করব সেই দুশ্চিন্তা মন থেকে ঝেড়ে ফেলুন। আমরা সবাই মিলে প্রস্তুতি নেই যাতে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারি।

সিইসি জাতিকে ওয়াদা দেন যে, নির্বাচন সঠিক সময়ে, সঠিকভাবে, একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।

নাসির উদ্দিন বলেন, এই নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ডাকযোগে (পোস্টাল ব্যালট) প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটের আওতায় আনা হয়েছে। প্রথমবারের মতো প্রায় ১০ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ যারা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকেন, তাদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কারাবন্দিদের জন্য ভোটের ব্যবস্থা, প্রবাসীদের জন্য এবং যেসব সরকারি কর্মচারী নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে আছেন, তাদের জন্যও ভোটের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সর্বোপরি, এবার একটি গণভোটও একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হতে হবে।

সিইসি বলেন, এই সাহসী পদক্ষেপে সবার, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের, অংশগ্রহণ থাকলে ইনশাআল্লাহ তারা সফল হবেন। একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন একা সফল হতে পারে না, সবাইকে নিয়েই তা করা হবে।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ