• রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
২৬ মার্চ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী প্রধান দুই আসামি পশ্চিমবঙ্গের বিশেষ আদালতে দেশ আমার, এ দেশ আপনার, এ দেশ সকলেরঃ সমাজকল্যাণ মন্ত্রী কঠিন পরিস্থিতিতেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়িয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী পিকআপ ভ্যান খাদে পড়ে ৪ জন নিহত ইরানকে ট্রাম্পের আল্টিমেটাম, পাল্টা হুঁশিয়ারি তেহরানের কুমিল্লায় বাসে ট্রেনের ধাক্কায় শিশু নারীসহ নিহত ১২ গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতার জীবন্ত দলিল ‘হিন্দ রাজব’ আটকে দিল ভারত ভাসমান সেতু উল্টে ভাই-বোনসহ ৫ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৫ ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে এই ঈদ অত্যন্ত আনন্দের : মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা

admin
আপডেটঃ : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। এ সময় তারা দেশের কৃতী সন্তানদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তারা। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। পাশাপাশি বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধান উপদেষ্টা অন্যান্য উপদেষ্টা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগত অন্যান্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

১৯৭১ সালের এ দিনে (১৪ ডিসেম্বর) পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার, আল-বদর ও আল-শামসরা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে। এর ২ দিনের মাথায় ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করে জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী। এর মধ্য দিয়ে স্বাধীন দেশ হিসেবে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশের।

একাত্তরের এ দিনে নৃশংস এ হত্যাযজ্ঞের উদ্দেশ্য ছিল- শিক্ষক, লেখক, সাংবাদিক, গবেষক, চিকিৎসক ও সংস্কৃতিকর্মীদের নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশকে মেধাশূন্য ও দিশাহীন করে দেয়া। প্রতি বছর এই দিনে গভীর শোক, বেদনা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে জাতি তাই শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করে।

দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মন্তুদ দিন শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তি-সংগ্রামের শেষলগ্নে যখন পুরো দেশের মানুষ চূড়ান্ত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে, ঠিক তখনই নরঘাতক রাজাকার, আলবদর, আল-শামস ও শান্তি কমিটির সদস্যরা মেতে ওঠে বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে। বিজয়ের চূড়ান্ত মুহূর্তে বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার নৃশংস এই নিধনযজ্ঞে সেদিন পুরো জাতিসহ সারা বিশ্বই হতবিহ্বল হয়ে পড়েছিল।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ