• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা সাইবার বুলিং শক্ত হাতে দমনে সরকার বদ্ধপরিকর: তথ্য উপদেষ্টা মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পর্শে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু দেশের বৈচিত্র্যময় প্রতিভা অন্বেষণে আসছে নতুন রিয়েলিটি শো ‘প্রতিভার সন্ধানে’ যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গাউছিয়া সার্ভিস সেলে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার

ব্যালট পেপার ছাপানোর স্থান নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে না: ঢাবি ভিসি

admin
আপডেটঃ : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ছাপানো নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাব দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ঢাবি ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেছেন, ব্যালট পেপার ছাপানোর স্থান বা সংখ্যা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে না।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিষয়টি স্পষ্ট করেন তিনি।

উপাচার্য বলেন, প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে নিয়ম মেনে একটি অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানকে ব্যালট পেপার ছাপানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভোটার ও প্রার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় দ্রুত সময়ে নির্ধারিত পরিমাণ ব্যালট ছাপানোর স্বার্থে মূল ভেণ্ডারের সঙ্গে আলোচনা করে একই টেন্ডারের অধীনে আরেকটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে নীলক্ষেতে ব্যালট ছাপানোর বিষয়টি সহযোগী ভেণ্ডর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেনি।

তিনি আরও বলেন, ব্যালট পেপার শুধু ছাপালেই তা ভোটের জন্য ব্যবহারযোগ্য হয় না। ছাপানোর পর নির্দিষ্ট মাপে কাটিং, নিরাপত্তা কোড আরোপ, ওএমআর মেশিনে প্রি-স্ক্যান, চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর এবং সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষর, এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরই তা ভোটগ্রহণের উপযোগী হয়। এসব ধাপ নিশ্চিত করেই সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ জানান, কার্যাদেশ অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে ২ লাখ ৩৯ হাজার ২৪৪টি ব্যালট প্রস্তুত হয়। মোট ভোটার ছিলেন ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন, প্রত্যেকে ৬টি করে ব্যালট পান। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২৯ হাজার ৮২১ জন, ব্যবহার হয়েছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯২৬টি ব্যালট, অবশিষ্ট রয়েছে ৬০ হাজার ৩১৮টি।

সিসিটিভি ফুটেজ ও ভোটারদের স্বাক্ষরিত তালিকা দেখানোর দাবির বিষয়ে উপাচার্য বলেন, প্রার্থীরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করলে মনোনীত বিশেষজ্ঞ বা দায়িত্বপ্রাপ্তদের উপস্থিতিতে নির্দিষ্ট ফুটেজ বা স্বাক্ষর দেখা যাবে।

নির্বাচনে মোট ৪৮টি অভিযোগ এসেছে এবং সবগুলোই নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলেও জানান উপাচার্য।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ