• বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন

পেছনের গেট দিয়ে মাইলস্টোন ছাড়লেন দুই ‍উপদেষ্টা

admin
আপডেটঃ : মঙ্গলবার, ২২ জুলাই, ২০২৫

নিউজ ডেস্কঃ রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর পুলিশ প্রহরায় পেছনের গেট দিয়ে কলেজ ছাড়লেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ও শিক্ষা উপদেষ্টা। তাদের সঙ্গে আছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমও।

এর আগে রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ও শিক্ষা উপদেষ্টা। তাদের সঙ্গে ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমও। আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বেলা সাড়ে তিনটার কিছু আগে কলেজ থেকে বের হন তারা। এ সময় কলেজের সামনে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদেরও দেখা যায়নি। পরে তাদের গাড়ি দিয়াবাড়ি মোড়ে গেলে বিকেল পৌনে চারটার দিকে বাধা দেয় শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে তাদের গাড়ি ঘুরিয়ে আবার কলেজ ক্যাম্পাসে নেওয়া হয়েছে। ফের দুই উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব কলেজের ভেতরে একটি ভবনে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে গোপনে পুলিশ প্রহরায় তারা কলেজ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে বিপুলসংখ্যক পুলিশের সহায়তায় গোপনে কলেজ প্রাঙ্গণ ছাড়েন উপদেষ্টারা। এর আগে কলেজ থেকে বের হয়ে আরেক দফায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন তারা। মেট্রোরেল ডিপোর পাশে হাজারের অধিক শিক্ষার্থী উপদেষ্টাদের গাড়ি ঘিরে স্লোগান দেন। তাদের সঙ্গে আছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবসহ প্রেস টিমের সদস্যরাও। এরপর তারা আবার কলেজের ভেতরে ঢুকে যান।

এর আগে ৩টার দিকে প্রায় দুইশ পুলিশ সদস্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। সকাল থেকে অবরুদ্ধ থাকা উপদেষ্টাদের বের করে আনতে পুলিশ প্রস্তুতি শুরু করলে পৌনে ৩টার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যান।

তবে এর কিছুক্ষণ আগেও উত্তপ্ত ছিল কলেজ প্রাঙ্গণ। দুপুর সোয়া ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের ৫ নম্বর ভবনের ফটকে অবস্থান নেওয়া পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া, ভুয়া’ বলে স্লোগান দেয় এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন। হামলার মুখে পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে সরে যেতে বাধ্য হন।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার ও আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল মাইলস্টোন কলেজে যান। পরিদর্শন শেষে তারা যখন ফিরছিলেন, তখন শিক্ষার্থীরা গাফিলতির অভিযোগ তুলে তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে উপদেষ্টারা কলেজের কয়েকজন শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে ৫ নম্বর ভবনের নিচতলার একটি সম্মেলন কক্ষে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে তারা লাউডস্পিকারের মাধ্যমে মাঠে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করেন।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ