• বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসা ব্যবস্থা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির কার্যকর শেখাই হবে প্রাথমিক শিক্ষার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী টেকসই উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে সড়ক নির্মাণ বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে মিলবে প্রণোদনা, গ্রিডে ইউনিটপ্রতি ১০.৫০ টাকা হঠাৎ খিলগাঁও আঞ্চলিক কার্যালয় পরিদর্শনে ডিএসসিসি প্রশাসক- অনিয়মে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা সফর শেষে ঢাকা ত্যাগ করলেন আইপিইউ মহাসচিব অ্যান্ডা ফিলিপ

কার্যকর শেখাই হবে প্রাথমিক শিক্ষার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী

admin
আপডেটঃ : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে শিশু ও তার শেখাকে রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। শুধু বিদ্যালয়ের ভবন ও অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, প্রতিটি শিশুর কার্যকর শেখা, প্রয়োজনীয় দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস এবং বাস্তব জীবনের উপযোগী সক্ষমতা নিশ্চিত করাই হবে প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য। শিশুরা কী শিখছে, কতটা শিখছে এবং সেই শেখা বাস্তবে প্রয়োগ করতে পারছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই ও মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন করা হবে।

আজ যশোর  পিটিআই অডিটোরিয়ামে খুলনা   বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয়, প্রাথমিক শিক্ষা আয়োজিত ‘বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য শুধু বই পড়ানো নয়, প্রতিটি শিশুর জ্ঞান, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস নিশ্চিত করা। পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের নিজের কথা স্পষ্টভাবে বলা ও যোগাযোগের সক্ষমতা যাচাইয়ে ‘স্পিকিং টেস্ট’ চালু করা হবে। আমরা এমন একটি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রতিটি শিশু শিখবে, নিজের কথা বলতে পারবে এবং ভবিষ্যতের জন্য আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে।

শিক্ষক সংকট প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০ হাজারের অধিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষক সংকট নিরসন, শ্রেণি কার্যক্রম আরও কার্যকর করা এবং প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক যোগ্য ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা-ভাবনা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতির আলোকে একটি কার্যকর, মানসম্মত ও শিশুকেন্দ্রিক প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে যে স্বপ্ন জাতির সামনে তুলে ধরেছেন, তা বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটি প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা চাই, যেখানে প্রতিটি শিশু শুধু বিদ্যালয়ে যাবে না, কার্যকরভাবে শিখবে। শিশুর জ্ঞান, দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস ও ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হয়ে ওঠাই হবে আমাদের কাজের সবচেয়ে বড় অর্জন।

জেলা প্রশাসক, যশোর মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. মতিয়ার রহমান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মাসুদ হোসেন এবং খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা ড. মো. শফিকুল ইসলাম। এছাড়া অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগের সব জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, পিটিআই সুপারিনটেনডেন্ট, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ