• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন

ক্লিন ইমেজের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে : এম এ আজিজ

admin
আপডেটঃ : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

রাজনৈতিক ডেস্ক রিপোর্টঃ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ‘ক্লিন ইমেজ’ সম্পন্ন নেতৃত্বের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের পুনর্গঠনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ফিনান্সিয়াল পোস্টের উপদেষ্টা সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক এম এ আজিজ।

সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল মানচিত্রে এক অনুষ্ঠানে মঞ্জুরুল আলম পান্নার সঞ্চালনায় এ কথা বলেন তিনি।

এম এ আজিজ বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্যদের একটি বড় অংশ নিজেদের নির্যাতিত মনে করছেন। এ অবস্থায় যদি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কোনো গ্রহণযোগ্য নেতাকে সামনে আনা হয়, তাহলে তারা দ্রুত তার পেছনে ঐক্যবদ্ধ হতে পারেন।

তবে সরকার যদি এ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ না করে, তবেই এমন পুনর্গঠন সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, অতীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে যেমন একটি রাজনৈতিক পুনর্গঠন দেখা গিয়েছিল, তেমন পরিস্থিতি আবারও সৃষ্টি হতে পারে। তার মতে, যদি সরকার বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে ‘ডিস্টার্ব’ না করে, তাহলে ক্লিন ইমেজের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম দাঁড়িয়ে যেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের এখনো বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে।

দলের সাধারণ সমর্থকদের একটি অংশ নিজেদের নির্যাতিত মনে করে এবং তাদের মধ্যে সংগঠিত হওয়ার প্রবণতা বিদ্যমান। এ অবস্থায় পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কোনো নেতাকে সামনে আনা হলে তারা দ্রুত একত্রিত হতে পারে।
একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, বর্তমান পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয় এবং রাজনৈতিক মোড় কোন দিকে যাবে তা নির্ধারণ করতে আরো সময় লাগবে।

জামায়াতের ভূমিকা প্রসঙ্গে এম এ আজিজ বলেন, নির্বাচন-পূর্ব কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

এর ফলে ভোটের আচরণেও প্রভাব পড়তে পারে।

বিএনপিকে একটি মধ্যপন্থী জাতীয়তাবাদী দল হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দলের ভেতরে থাকা বিতর্কিত বা গোপন প্রভাবগুলো চিহ্নিত করে একটি স্বচ্ছ রাজনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন।

এ ছাড়া ‘জুলাই সনদ’ ইস্যু, বিভিন্ন দলের মধ্যে সমঝোতা, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং রাজনৈতিক নিষিদ্ধকরণের ঝুঁকি নিয়েও আলোচনা করেন তিনি। তার মতে, রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করার প্রবণতা গণতন্ত্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং এতে পারস্পরিক প্রতিশোধমূলক রাজনীতির পথ খুলে যেতে পারে।

সবশেষে তিনি বলেন, দেশে একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ