• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪৩৮৪

admin
আপডেটঃ : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক রিপোর্টঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

ফল প্রকাশসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করে উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে প্রার্থী নির্বাচন করে এ তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রকাশিত ফলাফলের কোনো পর্যায়ে ভুল-ভ্রান্তি, ত্রুটি-বিচ্যুতি বা মুদ্রণজনিত কোনো ভুল পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন কিংবা প্রয়োজনে ফলাফল বাতিল বা সংশোধনের অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে। এছাড়া কোনো প্রার্থী ভুল তথ্য প্রদান বা তথ্য গোপন করেছেন— এমনটি প্রমাণিত হলে তার ফলাফল বা নির্বাচন বাতিল করা হতে পারে।

নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ২২ থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনের কাছ থেকে প্রাপ্ত স্বাস্থ্যগত উপযুক্ততার সনদ ও ডোপ টেস্ট রিপোর্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দাখিল করতে হবে। স্বাস্থ্যগত সনদে কোনো প্রার্থী দৈহিকভাবে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হলে তিনি নিয়োগের জন্য অনুপযুক্ত হবেন।

এছাড়া নির্বাচিত প্রার্থীদের আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে পরিচিতি যাচাই ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য সশরীরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপস্থিত হতে হবে। এ সময় সকল শিক্ষাগত সনদের মূলকপি, জাতীয় পরিচয়পত্র, যথাযথভাবে পূরণকৃত তিন কপি পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম, সিভিল সার্জন প্রদত্ত স্বাস্থ্যগত সনদ ও ডোপ টেস্ট রিপোর্ট এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোটাসংক্রান্ত সনদ দাখিল করতে হবে।

পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্টে কোনো প্রার্থীর পূর্ব কার্যকলাপ সন্তোষজনক না হলে কিংবা নাশকতা, সন্ত্রাসী বা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে চাকরির জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্যগত সনদ, পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম দাখিল কিংবা সকল মূল সনদসহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী পরবর্তীতে নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত) এক হাজার ৪০৮টি পরীক্ষাকেন্দ্রে একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি এবং পরীক্ষায় অংশ নেন ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী।

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি রাতে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে প্রাথমিকভাবে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন উত্তীর্ণ হন। পরে গত ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলোতে তাদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ