★ নিউজ ডেস্কঃ শেখ হাসিনা ভারতের কাছে নিষিদ্ধ কেউ নন এমন মন্তব্য করেছে ভারত। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিরাপত্তার কারনে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী ভারতে নিয়ে গেলে ভারতের সব রাজনৈতিক দলগুলো বৈঠক করে তাকে ভারতের সব মানুষের অতিথি হিসাবে বরন করে নেয়া হয়। তখন তার বিরুদ্ধে কোন মামলা ছিলোনা। এখন তার বিরুদ্ধে সব মামলাই যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক, এটা বাংলাদেশের সব মানুষের মতো ভারতও জানে। এখন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের দখলদার সরকারের হাতে তুলে দেবার প্রশ্নই ওঠেনা। তেমন কিছু করতে গেলে ভারতে গণভোটের রায় নিতে হবে।
শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচুত করতে বাংলাদেশে জুলাই আগষ্ট যত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে এর প্রতিটি ঘটনার যথাযথ বিচার করতে হবে। এরজন্য দরকার মৃত দেহগুলোর রাসায়নিক পরীক্ষা ফরেনসিক রিপোর্ট। এরজন্য মৃতদেহগুলো কবর থেকে তুলতে হবে। জানতে হবে কে কীভাবে কী ধরনের অস্ত্রের আঘাতে হত্যা শিকার হয়েছে। ট্রাইব্যুনালকে পাকিস্তানি মুক্ত করতে হবে।
ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশে। সেখানকার মিডিয়া স্বাধীন। কাজেই ভারতে বসে শেখ হাসিনা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন, অর্বাচীনের মতো এসব কথা যত বলা হবে তত বাংলাদেশের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণের কথা বিশ্ববাসী জানবে। ভারতের অতিথি শেখ হাসিনার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালাতে তাকে সেখানে স্বয়ংক্রিয় একটি অফিস গড়ে দেয়া হয়েছে। কাজেই শেখ হাসিনার কার্যক্রম নিয়ে ভারত সরকারের কাছে প্রশ্ন তোলা অবান্তর ও হাস্যকর।