• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পর্শে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু দেশের বৈচিত্র্যময় প্রতিভা অন্বেষণে আসছে নতুন রিয়েলিটি শো ‘প্রতিভার সন্ধানে’ যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে তারেক রহমানের অভিনন্দন যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম গাউছিয়া সার্ভিস সেলে বীমা দাবির চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ ফের গ্রেফতার যাকে আপনার পছন্দ হয় না, তাকেই ফ্যাসিস্ট বানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হলেন রাশেদ খান

লিবিয়া উপকূলে ২৬ বাংলাদেশি নিয়ে নৌকাডুবি, মৃত্যু ৪

admin
আপডেটঃ : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার উপকূলে ২৬ বাংলাদেশিকে নিয়ে একটি নৌকা ডুবে গেছে। এতে চার বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। একই উপকূলে ৬৯ জন সুদানিসহ আরেকটি নৌকা ডুবে গেলেও সেখানে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

রোববার উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-খোমস উপকূল থেকে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে আল-খোমসের তীরের কাছে উল্টে যাওয়া দুটি অভিবাসী নৌকার খবর তারা পায়। প্রথম নৌকাটিতে ছিলেন বাংলাদেশের ২৬ নাগরিক; এর মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি যাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়।

দ্বিতীয় নৌকাটিতে ছিলেন মোট ৬৯ জন অভিবাসী- যার মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং ৬৭ জন সুদানি, তাদের মধ্যে আটজন শিশু। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

রেড ক্রিসেন্টের উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জীবিতদের উদ্ধার, মৃতদের মরদেহ সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করে।

২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে সংঘাত, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মিলিশিয়া গোষ্ঠীর প্রভাবের কারণে লিবিয়া ইউরোপমুখী অভিবাসীদের প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সাড়ে ৮ লাখেরও বেশি অভিবাসী লিবিয়ায় অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হয়।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছে- লিবিয়ায় অভিবাসীরা ব্যাপকভাবে নির্যাতন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি ও মানবপাচারের শিকার হচ্ছেন। ইউরোপের অনেক দেশ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সমুদ্র উদ্ধার অভিযান কমিয়ে দেওয়ায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। একইসঙ্গে, উদ্ধার কাজে নিয়োজিত দাতব্য সংস্থাগুলোও বিভিন্ন দেশের বিধিনিষেধ ও দমনমূলক পদক্ষেপের মুখে পড়ছে।

অবৈধ পথে ইউরোপ যাওয়ার চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য লিবিয়াভিত্তিক এসব বিপজ্জনক নৌযাত্রা তাই অব্যাহতভাবে প্রাণহানি ঘটিয়ে চলেছে।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ