• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
দুর্ব্যবহার নয়, মানবিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও প্রকাশকারী তাহসিফের মৃত্যু রহস্য নিয়ে তদন্তের দাবি আশকোনা হজ ক্যাম্পে বিমানের টিকিট বিক্রয় কাউন্টার পুনরায় চালু শাহজালালে কাস্টমসের অভিযানে জব্দ ১২ কেজি স্বর্ণ নিকুঞ্জের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম উপনির্বাচন: বিনা লড়াইয়ে জয় পাচ্ছেন এলিজা জামান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের গভর্নরের নেত্রকোণায় ৫ ভারতীয় গরু আটক বিজিবির, এসকাফসহ নারী গ্রেপ্তার

ডিভোর্সি মেয়েকে অতঃপর নব দম্পতির আত্মহত্যা

admin
আপডেটঃ : শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫

★ নিউজ ডেস্কঃ বরগুনার তালতলী বাড়ির আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত প্রেমিক যুগলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে মায়ের দাবি- ডিভোর্সি মেয়েকে বিয়ে করায় ছেলেকে গালমন্দ করেছেন। তাই ছেলে এমন কাণ্ড করেছে।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চাউলাপাড়া গ্রামের রহিম ডাক্তার বাড়ি থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করো হয়। তবে ইকবালের দ্বিতীয় বিয়ের খবর ‘জানতেন না’ তার প্রথম স্ত্রীসহ পরিবার।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ছয় মাস আগে বিয়ে করে নববধূকে বাড়িতে রেখে ঢাকায় যান বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার পূর্ব রানীপুর গ্রামের শুক্কর হাওলাদারের ছেলে ইকবাল হাওলাদার। সেখানে একটি তৈরি পোষাক কারখানায় চাকরি নেন তিনি। ওই গার্মেন্টসে পরিচয় হয় পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী গ্রামের লামিয়ার সঙ্গে। সেই পরিচয় থেকে প্রেম। তাদের এ প্রেমের বিষয়টি পরিবার জেনে যায়। দুইদিন আগে ইকবাল ওই প্রেমিকাকে নিয়ে কুয়াকাটা বেড়াতে যায়। কুয়াকাটা থেকে গত বুধবার বিকেলে লামিয়াকে নিয়ে ইকবাল তালতলী উপজেলার চাউলাপাড়া গ্রামের ভগ্নিপতি রিপন ডাক্তারের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। তার ভগ্নিপতি ও বোন ঢাকায় বসবাস করেন। ওই বাড়িতে থাকেন ভগ্নিপতির বাবা রহিম ডাক্তার ও তার মা।

এদিকে, ছেলেকে না পেয়ে পরিবার বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকে। পরে জানতে পারেন তাদের ছেলে তার প্রেমিকাকে নিয়ে জামাই বাড়িতে গেছেন। এর প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার মা হাজেরা বেগম জামাই বাড়িতে আসেন এবং ছেলেকে গালমন্দ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ইকবাল বোনের ঘরে ঢুকে আড়ার সঙ্গে ওড়না ও রশি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। একই সময়ে দ্বিতীয় স্ত্রী লামিয়াও রশির অপর প্রান্ত গলায় পেঁচিয়ে ঝুলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই বাড়ি থেকে তাদের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

মা হাজেরা বেগম জানান, তার ছেলে ইকবাল একটি ডিভোর্সি মেয়েকে বিয়ে করেছে। ছেলে এমন কাণ্ড করায় তিনি গালমন্দ করেছেন।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, প্রেমিক যুগলের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। আগামীকাল (শুক্রবার) ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ