• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পানামা ইন্টারনেট ও রেলসেবা বন্ধ, রাস্তায় ২৫ হাজার পুলিশ—আজ দিল্লিতে কী হতে যাচ্ছে? তিন বস্তায় ৪ কোটি টাকা, গুলি করে দুই বস্তা ছিনতাই তিন বছরের যুদ্ধে ধ্বংসস্তূপে রূপ নিয়েছে গাজার জনজীবন মাইক্রোসফটসহ ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড স্থগিত, তদন্ত ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢাকার গণপরিবহণে শৃঙ্খলা ফেরাতে নতুন উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর কাতারে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ফখরুল ইসলাম দুদুকে পৌরসভা মন্ত্রীর সম্মাননা ছুটির সকালে বাড়ল সোনার দাম নবাবগঞ্জে ৩ কোটি ১৬ লাখ ৮ হাজার টাকার বীমা দাবির চেক হস্তান্তর নারীরা খেলাধুলায় জাতীয় গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতৃত্ব দেবে: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ৫৫% নিটওয়্যার কারখানার রপ্তানি আদেশ বাতিল বা কমেছে

admin
আপডেটঃ : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বিশেষ ডেস্কঃ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ প্রায় ৫৫ শতাংশ নিটওয়্যার পোশাক কারখানার রপ্তানি আদেশ বাতিল হয়েছে অথবা কমে গেছে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এক জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত জুলাইয়ের ২০ তারিখ থেকে শুরু হওয়া গ্যাস সংকট এবং পরবর্তীতে বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দেশের নিটওয়্যার পোশাক রপ্তানিকারকদের ৮৭ শতাংশই সময়মতো শিপমেন্ট করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর ফলে বিদেশি বায়ারকে ডিসকাউন্ট দিতে বাধ্য হয়েছেন প্রতি তিনজনে প্রায় দুইজন সাপ্লায়ার।

বিকেএমইএ গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, তাদের সদস্যভুক্ত ২০ শতাংশ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এ রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, বিকেএমইএ’র অ্যাক্টিভ সদস্য সংখ্যা ৮০০। ২০ শতাংশ হিসেবে রেসপন্ডেন্টের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১৬০টি। অর্থাৎ ১৬০টি কারখানার তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

যেসব রেসপন্ডেন্ট তথ্য দিয়েছেন, তাদের মধ্যে ৭৫ শতাংশ গ্যাস সংকটের কারণে এবং ৯০ শতাংশ বিদ্যুৎ সংকটের কারণে প্রভাবিত হয়েছেন বলে জানানো হয়। এতে উঠে এসেছে, আলোচ্য সময়ে গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ৭৮ শতাংশ কম ছিল।

জরিপ অনুযায়ী, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বিকল্প জ্বালানির জন্য অতিরিক্ত খরচ করতে হয়েছে প্রায় ৯২ শতাংশ কারখানাকে। এ ছাড়া প্রায় ৯২ শতাংশ কারখানাতেই শ্রমঘণ্টার অপচয় হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ৮৯ শতাংশ কারখানা মালিক জানিয়েছেন তারা বিদেশি ক্রেতার আস্থা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। আর তিন-চতুর্থাংশের বেশি কারখানা মালিক জানান, তাদের উৎপাদন আংশিক বন্ধ হয়েছে। অন্যদিকে এসব সমস্যার কারণে ঋণখেলাপির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতি দশজনে ছয়জন কারখানা মালিক এবং সম্পূর্ণ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ৭ শতাংশ মালিক।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ