• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
দুর্ব্যবহার নয়, মানবিক পুলিশিংয়ের মাধ্যমে আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হানিফের মৃত্যুদণ্ড, খান-আলী-আতার আমৃত্যু কারাদণ্ড ডিসেম্বরের মধ্যে অযোগ্য সিএফও সরানোর নির্দেশ আইডিআরএ’র হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও প্রকাশকারী তাহসিফের মৃত্যু রহস্য নিয়ে তদন্তের দাবি আশকোনা হজ ক্যাম্পে বিমানের টিকিট বিক্রয় কাউন্টার পুনরায় চালু শাহজালালে কাস্টমসের অভিযানে জব্দ ১২ কেজি স্বর্ণ নিকুঞ্জের ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম উপনির্বাচন: বিনা লড়াইয়ে জয় পাচ্ছেন এলিজা জামান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের গভর্নরের নেত্রকোণায় ৫ ভারতীয় গরু আটক বিজিবির, এসকাফসহ নারী গ্রেপ্তার

মিসাইল বাংকার সচল করে ফেলছে ইরান

admin
আপডেটঃ : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

বিশ্ব ডেস্ক রিপোর্টঃ দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা।

তবে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের ভূগর্ভস্থ মিসাইল বাংকার ও সাইলো (মিসাইল সংরক্ষণের ঘাঁটি) খুবই অল্প সময়ের মধ্যে আবার সচল করে তুলছে ইরান। হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মাটি খুঁড়ে ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো থেকে মিসাইল লঞ্চার উদ্ধার করে ব্যবহার উপযোগী করা হচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের হাতে এখনও বিপুল পরিমাণ ব্যালিস্টিক মিসাইল ও ভ্রাম্যমাণ লঞ্চার রয়েছে। ফলে দেশটির সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করা সম্ভব হয়নি বলে মনে করছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

চলতি সপ্তাহে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনদাবি করে, ৫ সপ্তাহের যুদ্ধে ইরানের ১১ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ভিন্ন কথা বলছে মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগ।

তাদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে টিকে আছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বারবার দাবি করেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সামরিক শক্তি ব্যাপকভাবে দুর্বল হয়েছে।’ এক বক্তব্যে তিনি স্বীকার করেন, ‘ইরান এখনও মিসাইল ছোড়ার সক্ষমতা রাখে, যদিও সেগুলো আকাশেই প্রতিহত করা সম্ভব।’

তবে গোয়েন্দা সূত্রের ধারণা, ইরানের হামলা কমে যাওয়ার পেছনে কৌশলগত কারণ রয়েছে। অনেক মিসাইল লঞ্চার পাহাড়ের গুহা বা ভূগর্ভস্থ বাংকারে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। সেগুলো হামলা থেকে রক্ষা করে সুযোগমতো আবার ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে ইরান।

মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ইরান এখনও প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০টি মিসাইল ইসরায়েলের দিকে ছুড়ছে। যুদ্ধের আগে ইরানের কাছে ঠিক কত লঞ্চার ছিল, তার সঠিক তথ্যও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নেই। ফলে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংকার বা গুহাগুলোতে কত লঞ্চার অবশিষ্ট রয়েছে, তা নির্ধারণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে ইরান বুলডোজার ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া লঞ্চারগুলো দ্রুত খুঁড়ে বের করছে এবং সেগুলো পুনরায় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ