• শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বরিশাল বিভাগে পপুলার লাইফের বীমা দাবির চেক হস্তান্তর সকল বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদদের স্মরণে স্মরণসভা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় জনতার ঢল কেপ ভার্দেকে বিদায় করে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা যশোরে পপুলার লাইফের ব্যবসা পর্যালোচনা সভা ও বীমা দাবির চেক হস্তান্তর চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান শিল্পী সমিতির নির্বাচন শুরু, এফডিসিতে ভোট দিবেন ৫৭৩ ভোটার নজরুল বর্ষ উদযাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী রেল সেতুর পিলারের নিচের মাটি কাটা প্রকল্পেরই অংশ: রেলমন্ত্রী

জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদদের স্মরণে স্মরণসভা

admin
আপডেটঃ : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক রিপোর্টঃ চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ স্মরণসভা শুরু হয়। ‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ এবং ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমিটি’ যৌথভাবে এই আয়োজন করে।

সরকারপ্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, “রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লব স্মরণে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শহীদদের স্মরণেই এ অনুষ্ঠান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি।”

এই সম্মেলনের মূলমন্ত্র ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। মঞ্চে ব্যানারে লেখা আছে, ‘গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা ৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা, যে আত্মত্যাগ ইতিহাসকে বদলে দিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা। জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে শহীদদের জন্য মোনাজাত করা হয়।

জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে এ স্মরণ সভায় মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊধর্তন কর্মকর্তা ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত রয়েছেন।

২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্রদের আন্দোলন শেষমেশ সরকার উৎখাতের ইতিহাস পড়ে।

৩৬ দিনের সেই আন্দোলনে ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালাতে বাধ্য হন সাড়ে ১৫ বছর দোর্দণ্ড প্রতাপে দেশ চালিয়ে আসা শেখ হাসিনা।

শুরুতে এই আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পরে তা দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

সরকারের তরফে জবাব ছিল- গুলি, টিয়ারশেল আর লাঠি; এককথায় কেবলই বলপ্রয়োগ। প্রথমে ফেইসবুক, পরে ইন্টারনেট বন্ধ করে পরিস্থিতি সামাল দিতে চায় সরকার। তাতে হিতে বিপরীত হয়।

১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। তাকেই এ আন্দোলনের ‘প্রথম শহীদ’ হিসেবে সম্মান জানানো হয়।

আন্দোলনে রক্তপাত শুরু হওয়ার ২০ দিনের মধ্যেই লাশ আর রক্তের বোঝা মাথায় নিয়ে পতন হয় দেড় দশকের আওয়ামী লীগ সরকারের। পালাতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা আর তার অমাত্যরা।

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের যে তালিকা সরকার গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে, সেখানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪। তবে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘ যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেখানে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হতে পারে বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঘোষিত ৯ দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একটি ছাত্র সমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিএনপির ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এই কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে ‘গণঅভ্যুত্থানের বাঁক বদলের দিন’ শীর্ষক আলোচনা সভার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে।

পরবর্তীতে ধারাবাহিক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্র সমাবেশের মাধ্যমে এই ৯ দিনের কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে বলে জানানো হয়েছে।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ