• সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
যাত্রাবাড়ীতে প্লাস্টিকের বস্তায় পরিত্যক্ত ১০ ককটেল উদ্ধার আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত ৭ ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষে ৮০ হুথি যোদ্ধা নিহত অব্যবহৃত ২৪টি ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের দোসররা নাশকতার পথ বেছে নিয়েছেঃ হাবিব এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ৩ মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্করের হাইকোর্টে জামিন জেনিথ ইসলামী লাইফের সঙ্গে ডিজিইপে-এর অনলাইন প্রিমিয়াম সংগ্রহ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর বিদেশে থাকা আ.লীগ নেতাদের নির্দেশনায় ককটেল বিস্ফোরণ-বাসে আগুন: পুলিশ

ইয়েমেনে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তীব্র সংঘর্ষে ৮০ হুথি যোদ্ধা নিহত

admin
আপডেটঃ : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইয়েমেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ মারিবের রাজধানী মারিব সিটির কাছে ইরানের মদতপুষ্ট হুথি গোষ্ঠীর সঙ্গে তীব্র সংঘাত হয়েছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর। এই সংঘাতে কমপক্ষে ৮০ হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মিডিয়া বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া আল-হাতেমি সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত শনিবার রাত থেকে রোববার রাত পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিহত হয়েছেন এই ৮০ জনের অধিক হুথি যোদ্ধা।

ইয়াহিয়া আল হাতেমি বলেন, মারিবে সেনাবাহিনী হুথি যোদ্ধাদের প্রতিহত করেছে। প্রায় ২৪ ঘণ্টা ভয়াবহ সংঘাতের পর ৮০ জনের অধিক যোদ্ধা নিহত হয়েছে, বাকিরা পালিয়ে গেছে। তাদের ৯টি সামরিক যান ধ্বংস করা হয়েছে।

ইয়েমেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মারিব প্রদেশের বিভিন্ন সম্মুখসারিতে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় যোদ্ধাদের সমাবেশস্থল, সামরিক রসদ ও শক্তিবর্ধক এবং সুরক্ষিত অবস্থানগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

মারিব শহরে ইয়েমেনে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত মানুষের সবচেয়ে বড় অংশ বসবাস করে। গত এক দশকে লড়াই ও হুথিদের দমন-পীড়ন থেকে পালিয়ে ২০ লাখের বেশি মানুষ সেখানে আশ্রয় নিয়েছেন। শহরটিতে তেল ও গ্যাসক্ষেত্রের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রও রয়েছে।

মারিব দখলের লক্ষ্যে হুথিদের ধারাবাহিক অভিযানে হাজারো বেসামরিক নাগরিক ও যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছেন। তবে এসব অভিযানের কোনোটি সফল হয়ে শহরটি দখল করতে পারেনি।

২০২২ সালের এপ্রিলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর হুথিরা তাদের বড় ধরনের অভিযান বন্ধ করে দেয়।

এদিকে শনিবার সানা, আমরান, হোদেইদা এবং হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্য এলাকায় অন্তত ৫০ যোদ্ধার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব যোদ্ধা যুদ্ধক্ষেত্রে নিহত হয়েছেন।

আল-হাতেমির দাবি, হুথিরা প্রকাশ্যে যে সংখ্যক নিহতের কথা স্বীকার করেছে, তা প্রকৃত যুদ্ধক্ষেত্রে নিহতের ১০ শতাংশেরও কম। তার হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৫০০ জন হুথি যোদ্ধা নিহত হচ্ছেন। মনোবল ভেঙে পড়া ঠেকাতে হুথিরা প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা গোপন করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ইয়েমেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হুথিদের সঙ্গে আশপাশের পার্বত্য এলাকায় সংঘর্ষের পর শহরটির পশ্চিমে অবস্থিত নোমান পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তারা। সূত্র: আরাব নিউজ

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ