• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন

আবাসন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা পুনর্নির্ধারণ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

admin
আপডেটঃ : বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬

বর্তমান বাজার বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে আবাসন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করে ভোক্তা ঋণ সংক্রান্ত প্রুডেনশিয়াল রেগুলেশনের ২৩ নম্বর বিধি সংশোধন করেছে। নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি এবং রিয়েল এস্টেট খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, কোনো একক গ্রাহককে ব্যাংক সর্বোচ্চ কত টাকা আবাসন ঋণ দিতে পারবে, তা এখন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিদ্যমান আবাসন ঋণ পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার সক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়- যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত (খেলাপি) আবাসন ঋণ ৫ শতাংশ বা তার কম, তারা সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।

যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত আবাসন ঋণ ৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশের মধ্যে, তারা সর্বোচ্চ ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ অনুমোদন করতে পারবে। আর যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত আবাসন ঋণ ১০ শতাংশের বেশি, তারা সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আবাসন ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঋণ-ইক্যুইটি অনুপাত ৭০:৩০ অপরিবর্তিত রেখেছে। পাশাপাশি, ব্যাংকগুলোকে কঠোরভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে-ঋণগ্রহীতার অবশ্যই নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত নিট নগদ আয় থাকতে হবে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এ নীতিমালা ২০০৪ ও ২০১৯ সালে জারিকৃত পূর্ববর্তী নির্দেশনাগুলোকে প্রতিস্থাপন করবে। তবে আবাসন ঋণের সীমা সংশোধন করা হলেও ভোক্তা ঋণসংক্রান্ত অন্যান্য বিদ্যমান নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় চাপের মুখে থাকা সম্ভাব্য গৃহমালিকরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণের হার কম রাখতে এ নীতিগত পরিবর্তন ব্যাংকগুলোকেও উৎসাহিত করবে।

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ