ব্যাংক-বীমা ডেস্কঃ দেশের শীর্ষতম জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের প্রধান কার্যালয়ের দাপ্তরিক কর্মকর্তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও পেশাগত মানোন্নয়নে মোটিভেশনাল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৭ সেপ্টেম্বর কোম্পানীর প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জুলাই মাসের প্রিমিয়াম সংগ্রহ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ন্যাশনাল লাইফের প্রধান কার্যালয়ের ২৬ জন কর্মকর্তার হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
কোম্পানীর চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পৃরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, বিশেষ অতিথি ছিলেন ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ হাবিবুর রহমান হাবিব।
এতে বক্তব্য রাখেন কোম্পানীর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কাজিম উদ্দিন ও ডিএমডি এন্ড সিএফও প্রবীর চন্দ্র দাস এফসিএ। সঞ্চালনা করেন সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ এনামুল হক। অনুষ্ঠানে ডিএমডি মোঃ আবুল কাসেম, ডিএমডি বাহার উদ্দিন মজুমদারসহ উর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন বীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, দুঃসময়ে বীমা মানুষের পাশে দাঁড়ায়। আমি ১৯৯০ সালে ন্যাশনাল লাইফে বীমা করে অনেক টাকা পেয়েছি, উপকৃত হয়েছি। আমার জানামতে অনেক মানুষ ন্যাশনাল লাইফে বীমা করে উপকৃত হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে বীমার উন্নয়নে আমি নিঃস্বার্থভাবে কাজ করবো। তিনি আরো বলেন, তথ্য উপাত্তে দেখা যায় ন্যাশনাল লাইফ দেশের ১ নম্বর বীমা কোম্পানী । ন্যাশনাল লাইফ ভবিষ্যতেও অগ্রগতির এ ধারা অব্যাহত রাখবে।
বিশেষ অতিথি ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, দেশের অন্যান্য বীমা কোম্পানীর তুলনায় ন্যাশনাল লাইফ সেরা, অতীতে সকল রেটিং-এ ভালো অবস্থানের জন্য ন্যাশনাল লাইফকে পুরস্কৃত করা হয়, আমি এক কমিটির সদস্য ছিলাম। তিনি আরো বলেন, ন্যাশনাল লাইফের প্রতিষ্ঠাতা এম. হায়দার চৌধুরী দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে তাকে মূল্যায়ন করা হয়নি।
বিশেষ অতিথি বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, সারা দেশে ন্যাশনাল লাইফের সুনাম রয়েছে। ন্যাশনাল লাইফ মানুষকে দাবী পরিশোধ করে। ছাত্র জীবনে ১৯৮৫ সালে আমি ন্যাশনাল লাইফে বীমা করেছিলাম।
কোম্পানীর চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন বলেন ন্যাশনাল লাইফ গ্রাহকের টাকা সর্বোচ্চ সুরক্ষা দিচ্ছে এবং দাবী পরিশোধে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে আসছে। বর্তমানে অনেক কোম্পানী যথাসময়ে গ্রাহকের দাবী পরিশোধে ব্যর্থ হলেও ন্যাশনাল লাইফ নির্ধারিত সময়ে গ্রাহকের হাতে দাবীর টাকা পৌঁছে দিচ্ছে।
কোম্পানীর কোম্পানীর মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কাজিম উদ্দিন বলেন, দ্রুত বীমা দাবী পরিশোধ করায় দেশব্যাপী ন্যাশনাল লাইফের সুনাম বৃদ্ধি হচ্ছে। ফলে ন্যাশনাল লাইফের প্রিমিয়াম সংগ্রহের হার বাড়ছে। এ অর্জন কোম্পানীর সকল স্তরের কর্মকর্তাদের সমন্বয় এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফল।
![]()