• শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পাম্পে গেলে তেল ও সুইচ টিপলে বিদ্যুৎ পাচ্ছেন, তাহলে সমস্যা কোথায়: বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতও আ.লীগের পথেই হাঁটছে: আবদুস সালাম ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতাকে গুলি করে হত্যা ট্রাম্পের হুমকিতেও পাল্টা লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের নলছিটিতে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোই হাজারো মানুষের ভরসা বেইলি রোড ট্র্যাজেডি ইস্যুতে ২২ জনকে আসামি করে সিআইডির অভিযোগপত্র অফিস চলবে ৯টা-৪টা, মার্কেট বন্ধ সন্ধ্যা ৬টায় নারী এমপিদের নিয়ে আমির হামজার কটাক্ষের বিচার চাইলেন রুমিন ফারহানা সালাহউদ্দিন ভাই মনে হয় ভালো ছাত্র ছিলেন না: শিশির মনির বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ও ইউনিকো হাসপাতালের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি স্বাক্ষর

পাম্পে গেলে তেল ও সুইচ টিপলে বিদ্যুৎ পাচ্ছেন, তাহলে সমস্যা কোথায়: বাণিজ্যমন্ত্রী

admin
আপডেটঃ : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

জাতীয় ডেস্ক রিপোর্টঃ জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের কোনও প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, ‘আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে তা একে অপরকে প্রভাবিত করে এবং পরিস্থিতি অযথা জটিল করে তোলে।’

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকালে সিলেট নগরের তোপখানায় তার বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যদি আতঙ্কিত হই, আমার পাশে থাকা মানুষও আতঙ্কিত হবেন। এই আতঙ্ক আবার অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়বে। কিন্তু বাস্তবে এখনও এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়নি, যার কারণে আতঙ্কিত হতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতিও স্বাভাবিক। আপনি পাম্পে গেলে তেল পাচ্ছেন, সুইচ টিপলে বিদ্যুৎ পাচ্ছেন- তাহলে সমস্যা কোথায়? এখন পর্যন্ত জ্বালানির কারণে কোনও কার্যক্রম ব্যাহত হয়নি।’

সরকারের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সরকার দায়িত্বশীলভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে এবং অতীতেও দ্রব্যমূল্যের চাপ দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিয়েছে। জনগণের সহযোগিতাও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।’

এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কেও বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এলপিজি গ্যাসের দাম বেড়েছে, কারণ এখানে দাম নির্ধারণের একটি ফর্মুলা আছে। সৌদির আরামকোর সিপি প্রাইসের সঙ্গে একটি প্রিমিয়াম যোগ করে দেশে মার্কেটে দাম আসে। যেখানে উৎস দেশে দাম বেড়ে গেছে, তার প্রভাব এখানে পড়বেই। ক্রুড অয়েলের মূল্য কিছু দিন আগে ৫৫-৬০ ডলার ছিল। এখন তা ১১৬ ডলারে পৌঁছেছে। তবে এই সরকারের স্বার্থে এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষার্থে দাম আগের মতোই রাখা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ অতিরিক্ত কষ্ট না পায়।’

মন্ত্রী সবাইকে সতর্ক এবং সাশ্রয়ী থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা সচেতনভাবে জ্বালানি ব্যবহার করি, আমদানি কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও কমবে। তাই আসুন, আতঙ্কিত না হয়ে স্বাভাবিকতা বজায় রাখি। সম্মিলিতভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করি।’

Loading


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো নিউজ